দিদারুল আলম, সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
সাতকানিয়া উপজেলায় চলতি বছর অনেক আগে আমন ধান কাটা শুরু করেছেন কৃষকরা। এ কারণে উপজেলার কৃষাণ-কৃষাণিরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। সাতকানিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় জানান, যে সমস্ত কৃষকরা কয়েক দিন আগে আমন ধান রোপণ করেছেন এবং যাদের জমিগুলো একটু উঁচু এলাকায় তাদের বেশির ভাগ ধান পেকে গেছে। কিছুদিনের মধ্যে মাঠের সব ধান কাটতে পারবে। তাছাড়া এ বছর আমনখেতের ফলনও চোখে পড়ার মতো। আমি নিজে উপস্থিত হয়ে খেতের যে সমস্ত ধান কাটা হয়েছে তার ফলন পরিমাপ করে দেখেছি। সে হিসেবে এক কানি (২০ গন্ডা) জমিতে ফলন হয়েছে আট মণের ওপরে। সাতকানিয়া উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম জহির ও মুজিবুর রহমান জানান, আমন ধান কাটার সময় এখনো আসেনি। প্রচুর বৃষ্টির কারণে জমিতে অনেক পলি পড়েছে এ বছর। ধানের বাজারদর বেশি হওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, এ বছর আমন চাষিরা অন্য বছরের চেয়ে অনেক বেশি লাভবান হবেন। সব কৃষক যদি লাইন করে সারিবদ্ধভাবে ধান রোপণ করতেন তাহলে তারা অনেক বেশি লাভবান হতেন। উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের কালামিয়া পাড়ার আমন ধান চাষি মোহাম্মদ ইউসুফ, মোরশেদুল আলম, জাকের, বোর্ড অফিস এলাকার আইয়ুব জমাদার, আহমদ হোসেন, সদর ইউনিয়নের মহিউদ্দিন, হাতিয়ারকুলের জাহাংগীর, মো. ইসলাম, জিয়াবুল, মো. ইউনুচ জানান, তাদের রোপিত আমনখেতের সব ফসল এখনো পরিপক্ব হয়নি। কিছু কিছু ধান পেকেছে। এ পর্যন্ত কেউ এক কানি আবার কেউ চার-পাঁচ গন্ডার মতো জমির ধান কাটতে পারছেন। আরো অনেক জমিতে ধান কাটা বাকি আছে। তারা আরো জানান, জমিতে বিআর, ব্রি, হাইব্রিড জাতের ধানসহ অন্য ধানও রোপণ করেছেন। অন্যদিকে অনেক কৃষক সারিবদ্ধভাবে লাইন ধরে ধান রোপণ করেছেন। তাদের ফলন অন্যদের চেয়ে বেশি।
