মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে তিনি জিততে না পারলে হয়তো দেশ ছাড়বেন। তার এই বক্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে যে, আসলেই তিনি এই অঙ্গীকার পূরণ করবেন কি না। এদিকে সুপ্রিম কোর্টে রক্ষণশীল নারী বিচারককে ট্রাম্পের মনোনয়নের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন নারীরা। তারা ট্রাম্পকে ভোট না দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন।—খবর ডেইলি মেইলের
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে জর্জিয়ায় এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, আগামী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন জিতে গেলে তিনি দেশ ছাড়বেন। কারণ তিনি এমন খারাপ প্রার্থীর কাছে হেরে গিয়ে দেশে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন না। ট্রাম্প বলেন, আমার হাসি-ঠাট্টা করা উচিত নয়। কিন্তু আপনারা জানেন যে, এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে খারাপ একজন প্রার্থী আমার প্রতিদ্বন্দ্বী। এটাই আমার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, আপনারা কী এটা কল্পনা করতে পারেন যে, এমন একজন প্রার্থীর কাছে আমি হেরে যাব? এমন প্রার্থীর কাছে হারলে অবশ্যই আমার ভালো লাগবে না। এর আগে দুই সংগীতশিল্পী ঘোষণা দিয়েছিলেন, ট্রাম্প ফের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে দেশ ছাড়বেন তারা। ট্রাম্প বিরোধী সংগঠন দ্য লিংকন প্রজেক্ট বলেছে, ট্রাম্প এই অঙ্গীকার রাখতে পারবেন তো? আবার কেউ কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় কৌতুক করে বলছেন, তিনি কি রাশিয়া না অন্য কোনো দেশে যাবেন? শনিবার এক সমাবেশে মিশিগান গভর্নরের করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
নারীদের বিক্ষোভ :সুপ্রিম কোর্টে অ্যামি কোনি ব্যারেটকে বিচারক হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। রক্ষণশীল একজন বিচারককে মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষেপেছেন নারীরা। তারা শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে বিক্ষোভ করেন। তারা রুথ বেডার গিন্সবার্গের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। রুথ বেডার গিন্সবার্গ ছিলেন একজন ধর্মনিরপেক্ষ বিচারক। তিনি নারীদের পক্ষেই কাজ করতেন। কিন্তু ব্যারেট অনেকটাই রক্ষণশীল। কারণ তিনি সিনেটের বিচার বিভাগীয় কমিটির শুনানিতে গর্ভপাত, ভোটাধিকার, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা, ওবামাকেয়ার এবং জলবায়ু নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে যান।
