সামান্য বৃষ্টি হলেই সালথা বাজারের অলিগলিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ চরমে

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২০, ১৬:৫১

বৃষ্টি হলেই ফরিদপুরের সালথা উপজেলা সদর বাজারের অলিগলিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে বাজারের ব্যবসায়ীদের ও জনসাধারণের সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয় ।

সরেজমিনে দেখা যায়, সদরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সালথাবাজার। গুরুত্বপূর্ণ এ বাজারে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। পানি নিষ্কাশনের নালা ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে। বাজারের ভিতর ইটের রাস্তাগুলোর ইট উঠে বহু খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে বাজারদের চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। 

স্থানীয় বাসিন্দা মনির মোল্যা বলেন, একযুগ ধরে বাজারের গলিতে ইটের রাস্তাগুলোর এমন বাজে অবস্থা হয়ে রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে জনসাধারণের। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি আটকে অনেক সময় দোকানপাটে উঠে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের দুর্দশার আর সীমা থাকে না।

আরো পড়ুনঃ বসানো হলো পদ্মা সেতুর ৩৩তম স্প্যান

বাজারের ব্যবসায়ী মারুফ হোসেন বলেন, পথচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাজারে আসা লোকজন ময়লা-আবর্জনা অহরহ নালায় ফেলেন। এ কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যায়। নিয়মিত নালা পরিষ্কার রাখলে এমন জলাবদ্ধতা দেখা দিত না। ময়লা-আবর্জনায় নালা ভরে থাকে। পানি ঠিকমতো নামতে পারে না। এ কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই বাজারের অলিগলিতে পানি জমে। এ ছাড়া স্যানিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় যত্রতত্র মলমুত্র ত্যাগের ফলে চরম দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বাজারের ভিতর।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিউবওয়েল, ল্যাটিন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা কোনটিই ঠিক নেই। বাজারের কমিটি আছে। এ বাজার থেকে প্রতিবছর ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা রাজস্বও আদায় করে সরকার। অথচ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা ও নাগরিকদের নেই কোনো নাগরিক সুবিধা। 

সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ হাসিব সরকার বলেন, বাজারে একটি ড্রেন নির্মাণ করে দেয়া হয়েছিল। উপজেলা প্রকৌশলী আর আমি কয়েক দফা ভিজিট করেছি। কিন্তু দোকানদাররা নিজেরা ড্রেনে ময়লা ফেলে তা বন্ধ করে দিয়েছে। তারা সচেতন না হলে যত ড্রেন করে দেয়া হোক তা কোন কাজে আসবে না। এটার ব্যবহার উপযোগিতা তাদেরই হাতে।


ইত্তেফাক/এমএএম