বিস্ময়কর পৃথিবীর প্রাণিজগত্ অদ্ভুত এবং বৈচিত্র্যময়। অপার রহস্য দিয়ে ঘেরা। প্রতিটি প্রাণীই নিজস্ব কিছু স্বভাব, বৈশিষ্ট্য ধারণ করে নিজের স্বকীয়তা বজায় রাখে। যেমন জিরাফ একমাত্র প্রাণী যাদের জন্মের সময়ই শিং থাকে। মানুষ এবং জিরাফের ঘাড়ের হাড় সংখ্যা সমান। জিরাফের গায়ের আঁকাবাঁকা দাগ কিছুটা ফিঙ্গার প্রিন্টের মতো। দুটি জিরাফের আঁকাবাঁকা দাগের প্যাটার্ন কখনো একরকম হয় না।
ব্যাঙ পানি পান করে না। শরীরে যে পরিমাণ পানি প্রয়োজন তা ত্বকের সাহায্যে শুষে নেয়। ব্যাঙ প্রায় প্রতি এক সপ্তাহ অন্তর নিজের গায়ের চামড়া বদলায়। নতুন চামড়া গজানোর পর সাধারণত পুরানো চামড়া খেয়ে ফেলে।
পিঁপড়ারা ‘ফেরোমেন’ নামে এক রকম রাসায়নিক পদার্থের সাহায্যে নিজেদের মাঝে যোগাযোগ করে। তারা কখনো ঘুমায় না। পিঁপড়ার কোনো ফুসফুস এবং কান নেই। শোনার জন্য এরা ভূমির কম্পাঙ্ক ব্যবহার করে।
হাতি মোটামুটি প্রায় ১২ মাইল দূর থেকে কোথাও পানি থাকলে বুঝতে পারে। ব্ল্যাক আইভরি কফি নামের বিখ্যাত ব্র্যান্ডের কফি তৈরি হয় হাতির বর্জ্য থেকে। স্থলে বসবাসকারী স্তন্যপায়ীদের মধ্যে হাতির মস্তিষ্ক সবচেয়ে বড়—মানুষের মস্তিষ্কের তুলনায় বড় তিন-চারগুণ।
একটি মাঝারি আকারের বাদুড় ঘণ্টায় যে সংখ্যক পোকা খায় তা একজন মানুষের এক রাতে ২০টা পিজ্জা খাওয়ার সমান। বাদুড়ের সবচেয়ে বড় কলোনি বলা হয় টেক্সাসের ব্র্যাকেন গুহাকে। ধারণা করা হয়, এই এক গুহাতেই প্রায় ২০ মিলিয়ন বাদুড় আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকানরা বাদুড়কে প্রশিক্ষণ দিয়ে বোমা ফেলার জন্য চেষ্টা করেছিল।
তথ্যসূত্র :ইন্টারনেট
