রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র

যন্ত্রপাতির প্রথম চালান দেশে

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩৩

ইত্তেফাক রিপোর্ট

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্রের যন্ত্রপাতি দেশে আসা শুরু হয়েছে। রাশিয়ার ভলগা থেকে বাংলাদেশের মোংলায় এসেছে প্রথম ইউনিটের মূল যন্ত্রপাতি ভিভিইআর-১২০০ চুল্লিপাত্র (নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর প্রেসার ভেসেল) এবং একটি স্টিম জেনারেটর। মোংলা থেকে পদ্মা হয়ে এগুলো পাবনার রূপপুরে কেন্দ্রস্থলে নেওয়া হবে।

গতকাল মঙ্গলবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সমুদ্রপথে রাশিয়ার ভলগা থেকে প্রায় ১৪ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে গত সোমবার বাংলাদেশের মোংলা সমুদ্রবন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে রূপপুর কেন্দ্রের সরঞ্জাম। সেখান থেকে গতকাল বিকাল ৪টার দিকে চুল্লিপাত্র ও স্টিম জেনারেটর মোংলা বন্দরে পৌঁছায়।

বিশেষ এই যন্ত্রপাতি রাশিয়ার সমুদ্রগামী জাহাজ থেকে বাংলাদেশের স্থানীয় বিশেষ বার্জে স্থানান্তর করা হবে। আগামী ৫ নভেম্বর মোংলা বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে নদীপথে চাঁদপুর হয়ে ২১ নভেম্বর পদ্মাপাড়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প এলাকায় নবনির্মিত রূপপুর নৌবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মূল কেন্দ্রের নির্মাণকাজের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল দেশ।

আর্থিক বিবেচনায় দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র প্রকল্প। ২০১৩ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উত্পাদিত হবে। এ প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে প্রায় সোয়া ১ লাখ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটে বিদ্যুত্ উত্পাদন চালু হবে। একই সক্ষমতার দ্বিতীয় ইউনিটে উত্পাদন শুরু হবে ২০২৪ সালে। কেন্দ্রটির সব পরমাণু যন্ত্রপাতি রাশিয়া তৈরি ও সরবরাহ করবে।     ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পটির মোট ব্যয়ের সিংহভাগ ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা ঋণও দিচ্ছে দেশটি।