ইত্তেফাক রিপোর্ট
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের দায় নিরূপণে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। ১৭৬ পৃষ্ঠার ঐ প্রতিবেদনটি সিলগালা অবস্থায় বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের ভার্চুয়াল ডিভিশন বেঞ্চে দাখিল করে রেজিস্ট্রার কার্যালয়। পহেলা নভেম্বর এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (সাধারণ) দিয়ে অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে দেয় হাইকোর্ট। ঐ কমিটি কলেজ কর্তৃপক্ষের দায় নিরূপণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর তা পর্যালোচনা করে ঐ ঘটনায় দায় নির্ধারণ শেষে রিপোর্ট প্রস্তুত করে তা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে পাঠানো হয়। গতকাল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মী। এ ঘটনায় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করেন আইনজীবী মেসবাহ উদ্দিন। ঐ প্রতিবেদন আমলে নিয়ে হাইকোর্ট অনুসন্ধান কমিটি গঠনের পাশাপাশি ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে রক্ষায় অবহেলা ও ছাত্রদের কলেজে অবস্থান করার বিষয়ে নীরবতায় অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে।
