বেতনে সংসার চলছে না, পদত্যাগের চিন্তা করছেন বরিস জনসন

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩৮

আগামী বসন্তে পদত্যাগের চিন্তা করছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। কারণ তিনি যে বেতন পান তাতে তার সংসার চলছে না। এমন দাবি করেছেন তার রক্ষণশীল দলের এমপিরা। খবর মেট্রো ডট ইউকের

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এই মুহূর্তে বছরে ১ লাখ ৫০ হাজার ৪০২ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি) বেতন পান বরিস জনসন। কিন্তু গত বছর জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার আগে এর চেয়েও বেশি আয় করতেন বরিস। তিনি দ্য টেলিগ্রাফে কলাম লিখে মাসে আয় করতেন ২৩ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার টাকার বেশি)। এছাড়া বিভিন্ন বক্তৃতা ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকেও তিনি আরো বেশি রোজগার করতেন। দ্য মিরর জানায়, তিনি এক মাসেই বক্তৃতা দিয়ে এক লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক কোটি ৭৬ লাখ টাকা) পেয়েছিলেন। হোয়াইট হল সূত্রে জানা যায়, পদত্যাগের আগে বরিস আরো ছয় মাস অপেক্ষা করতে চান। তিনি ব্রেক্সিট চুক্তি করতে চান এবং করোনা মহামারী মোকাবিলার বিষয়টি কতদূর যায় তা দেখে যেতে চান।

একজন এমপি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ছয় সন্তান বড় হচ্ছে। তাদেরকে নিয়ে চিন্তিত বরিস। তার সবচেয়ে ছোট ছেলেকে স্কুল ভর্তি করা হচ্ছে যেখানে বছরে খরচ হবে ৪২ হাজার ৫০০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকার বেশি)। এমনকি তার সাবেক স্ত্রী ম্যারিনা হুইলারকেও বিবাহ বিচ্ছেদের চুক্তি অনুযায়ী ভরণপোষনের অর্থ দিতে হয়। ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট এ ধরনের তথ্যের কথা অস্বীকার করেছে। তবে বিস্তারিত জানাতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এমপিরা মনে করছেন, বরিস হয়তো তার পূর্বসূরীদের নিয়ে হিংসায় ভুগছেন। কারণ থেরেস মে প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার পর বক্তৃতা দিয়ে দশ লাখ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ কোটি টাকা) আয় করেছেন। ডেভিড ক্যামেরন বক্তৃতা প্রতি নেন এক লাখ ২০ হাজার পাউন্ড। টনি ব্লেয়ার পরামর্শ এবং বক্তৃতা দিয়ে দুই কোটি লাখ পাউন্ড আয় করেছেন।