করোনা চিকিত্সায় যুক্ত হলো বিশেষায়িত আরো ২০ শয্যা

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২০, ২২:০২

কক্সবাজার সদর হাসপাতাল

সায়ীদ আলমগীর, কক্সবাজার প্রতিনিধি

শীত মৌসুমে করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ার আশঙ্কায় তা প্রতিরোধের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে কক্সবাজারেও। পূর্বে চালু হওয়া নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) ও হাই-ডিপেনডেন্সি ইউনিটের (এইচডিইউ) সঙ্গে নতুন করে আরো ২০টি শয্যা সংযুক্ত করা হচ্ছে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) সহযোগিতায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের চিকিত্সায় বর্ধিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার যাত্রা গত সোমবার থেকে উদ্বোধন করা হয়। অতিরিক্ত ২০ শয্যার পাশাপাশি একটি নতুন ওয়ার্ডও তৈরি করে দিচ্ছে ইউএনএইচসিআর। সেই ওয়ার্ডে ১০ জন মেডিক্যাল ডাক্তর, ১৫ জন স্টাফ নার্স, এক জন সিনিয়র নার্স, এক জন ইনফেকশন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সুপারভাইজার, আট জন ক্লিনার ও আট জন ওয়ার্ড স্টাফসহ ৪৩ জন নতুন স্টাফের দায়িত্বও নিচ্ছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাটি।

পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বিভিন্ন উপজেলায় বিশেষায়িত কোভিড-১৯ ক্লিনিকেও সেবা কার্যক্রম আরো নিবিড় করা হচ্ছে, এমনটি জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সুপার ও সহকারী পরিচালক ডা. রফিক-উস-সালেহীন। সোমবার বিকালে সদর হাসপাতালে বর্ধিত স্বাস্থ্যসেবা উদ্বোধনকালে হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির প্রধান স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সারওয়ার কমল, হাসপাতালের সুপার ডা. রফিক-উস-সালেহীন, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অনুপম বড়ুয়া, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের হেলথ সেক্টর কো-অর্ডিনেটর ডা. শামমুদ্দোজা নয়ন, ইউএনএইচসিআরের সিনিয়র অপারেশনস কো-অর্ডিনেটর হিনাকো টোকিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জানানো হয়, নতুন করে যুক্ত হতে যাওয়া ২০টি শয্যার মাধ্যমে গুরুতর কোভিড-১৯ রোগীদের আরো বেশি চিকিত্সাসেবা দেওয়া যাবে। অতিরিক্ত ২০ শয্যার বিপরীতে ডক্টর, স্টাফ নার্স, সিনিয়র নার্স, ইনফেকশন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সুপারভাইজার, ক্লিনার ও ওয়ার্ড স্টাফসহ ৪৩ জন নতুন স্টাফও দিচ্ছে ইউএনএইচসিআর।

হাসপাতালের সুপার ডা. রফিক-উস-সালেহীন জানান, করোনার শুরুতে সবাই যখন আতঙ্কে উদ্বিগ্ন, তখন সবার আগে ইউএনএইচসিআর এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়ায়। ইউএনএইচসিআরের কক্সবাজারের সিনিয়র অপারেশনস কো-অর্ডিনেটর হিনাকো টোকি বলেন, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্বের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। কক্সবাজার সদর হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের সদস্য সাইমুম সারওয়ার কমল বলেন, শরণার্থী ও স্থানীয়দের জন্য ইউএনএইচসিআর ও জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থার সহায়তা কখনো ভোলার নয়।