সাইফের বোলিংয়ে ম্লান মুশফিকরা

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২০, ২২:১০

স্পোর্টস রিপোর্টার

করোনাকালে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট শুরু হওয়ার পর এক দুর্বিপাকেই ছিলেন মুশফিকুর রহিম। টানা তিন ইনিংসেই বোল্ড হয়েছিলেন তিনি। বোল্ড হওয়ার পর্ব পেরিয়ে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মুশফিক। পরের তিন ইনিংসে নিজের ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতাও তুলে ধরেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। ১০৩, ৫২ রানের পর গতকাল ৫১ রানের ইনিংস খেলেছেন মুশফিক।

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে মিরপুর স্টেডিয়ামে গতকাল বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে নাজমুল একাদশের ব্যাটসম্যানদের চেষ্টা অবশ্য ম্লান হয়ে গেছে সাইফউদ্দিনের ক্ষুরধার বোলিংয়ে। তামিম একাদশের হয়ে ২৬ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন ডানহাতি এই পেসার। টুর্নামেন্টে প্রথম বোলার হিসেবে ৫ উইকেট পেলেন তিনি।

তাতেই টসে জিতে ব্যাট করা নাজমুল একাদশ ৩৯.৩ ওভারে ১৬৫ রান তুলেছে। তাদের ইনিংসের ১৫ ওভার পরই নেমেছিল বৃষ্টি। ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ৪১ ওভারে নেমে এসেছিল ম্যাচ। বৃষ্টি আইনে তামিমদের টার্গেট দাঁড়ায় ১৬৪ রান।

জবাবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তামিম একাদশ ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৩৩ রান তুলেছে। এনামুল হক বিজয় ৭ রান করে তাসকিনের শিকার হন।

গতকাল টসে হেরে ফিল্ডিং করা তামিমদের দারুণ শুরু এনে দেন পেসাররা। ২৫ রানে ৩ উইকেট হারায় নাজমুলরা। সৌম্যকে (৭) ফিরিয়ে উইকেট উত্সব শুরু করেন সাইফউদ্দিন। পারভেজ ১০, নাজমুল ৫ রান করেন। আগের মতোই চতুর্থ উইকেটে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন মুশফিক-আফিফ। ৯০ রানের জুটি গড়েন তারা। সেই জুটি ভাঙেন সাইফউদ্দিন। হাফ সেঞ্চুরির পর দলীয় ১১৫ রানে ফাইন লেগে ক্যাচ দেন মুশফিক। তিনি ৫১ রান করেন।

মুশফিকের বিদায়ের পর শেষ ৬ উইকেটে ৫০ রান যোগ করতে পেরেছে নাজমুলরা। আফিফ ৪০, তৌহিদ হূদয় ১৩, নাসুম আহমেদ অপরাজিত ১২ রান করেন। মূলত সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজের আঘাতেই রানটা বড় হয়নি। তৌহিদ হূদয়, রিশাদ, আল-আমিন সাইফউদ্দিনের শিকার হন। ইরফান শুক্কুর, তাসকিনকে ফেরান মুস্তাফিজ। তামিম একাদশের পক্ষে মুস্তাফিজ ৩টি, মেহেদী হাসান ২টি উইকেট নেন। 

শেষ স্পেলে সাইফউদ্দিনের বোলিং ফিগার ছিল আকর্ষণীয় (২.৩-০-৫-৩)। চার ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী তরুণ এই পেসার। ১০ উইকেট নিয়ে তার পরেই অবস্থান করছেন রুবেল হোসেন। মুস্তাফিজের শিকার ৮ উইকেট।