মুনাফালোভী মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীরা আলুর চাহিদা বাড়ায় এর সুযোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, প্রতি বছর অক্টোবরে আলুর দামটা একটু বাড়ে। তবে এ বছর করোনার প্রভাব ও বন্যার কারণে দামটা একটু বেশি বেড়েছে। তবে দাম বাড়লেও এতে কৃষকের কোনো লাভ নেই। কারণ কৃষকের হাতে কোনো আলু নেই।
গতকাল বুধবার এগ্রিকালচারাল রিপোর্টার্স ফোরাম (এআরএফ) আয়োজিত এক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। কৃষিমন্ত্রী ভোক্তা ও বাজার ব্যবস্থার প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতে হিমাগার ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।
‘বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কৃষির ভূমিকা’ শীর্ষক এ ওয়েবিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) জুয়েনা আজিজ । বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক। এআরএফের সভাপতি মো. আশরাফ আলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের যুগ্মসম্পাদক ফয়জুল সিদ্দিকি। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মাকসুদুল হাসান।
ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশের মতো কৃষিপ্রধান দেশের জন্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি অর্জনে কৃষিখাতে উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। দারিদ্র্য বিমোচন এবং সবার জন্য খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষির অবদান অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
বৈশ্বিক কোভিড-১৯-এর প্রভাবে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে পিছিয়ে পড়েছে কিনা—এ প্রশ্নে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে মন্তব্য করার সময় এখনো আসেনি।
