হাসপাতালে স্বাভাবিকভাবেই গত শুক্রবার এক নবজাতকের জন্ম দেন শাহিনুর বেগম (২৭)। তবে নবজাতকটিকে জন্মের পরই মৃত ঘোষণা করেন চিকিত্সক। মৃত্যুর সনদসহ প্যাকেটে করে শিশুটিকে অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে ‘মৃতদেহ’ দাফনের জন্য কবরস্থানে নিয়ে গেলে হঠাত্ তা নড়ে উঠে। শিশুটি জীবিত বুঝতে পেরে পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে যান অভিভাবকরা। এরপর চিকিত্সকরা সেই শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রাণান্তকর চেষ্টা করেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটি মারা যায়। শিশুটির বাবা ইয়াসিন মোল্লা ইত্তেফাককে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইয়াছিন মোল্লা পেশায় বাসচালক। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মালঙ্গা গ্রামে। পরিবার নিয়ে ঢাকায় তুরাগ ধউর নিসাতনগর এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, গত বুধবার শাহিনুরকে ঢামেকের গাইনি বিভাগের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। চিকিত্সকরা জানান, শাহিনুরের প্রেসার হাই। চিকিত্সকদের পরামর্শে ঐদিন রাতেই তাকে লেবার রুমে স্থানান্তর করা হয়। পরে তাকে ১১০ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়। সেখানে দুই দিন চেষ্টার পর শুক্রবার ভোরে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন শাহিনুর। চিকিত্সকরা জানান, শিশুটি মৃত। মায়ের পেট থেকেই মৃত অবস্থায় তার জন্ম হয়েছে। পরে নিয়মানুযায়ী মৃত্যুর সনদও দেওয়া হয়।
