বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেছিলেন দিলীপ। ধর্ষণের ফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে আর বিয়ে করতে রাজি হননি তিনি। এ অবস্থায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় ঐ আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড হয়। ঐ দণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করে হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন। জামিন আবেদনে বলেছেন, জামিন পেলে তিনি ভিকটিমকে বিয়ে করবেন। এতে সম্মতি রয়েছে ভিকটিমের। তবে হাইকোর্ট জামিন না দিয়ে কারাফটকে ভিকটিমের সঙ্গে আসামির বিয়ের আয়োজন করতে রাজশাহীর জেল সুপারকে নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে বিবাহসংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।
ভিকটিমের পক্ষে আদালতে জামিন শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহেদ চৌধুরী ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। জানা যায়, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সিতানাথের ছেলে দিলীপের সঙ্গে তার খালাতো বোনের (ভিকটিম) ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। কিন্তু দিলীপ তাকে আর বিয়ে করতে রাজি হননি। এ নিয়ে সালিশ বৈঠক হলেও তাতে কোনো ফল আসেনি। ২০১১ সালের ২৩ অক্টোবর মেডিক্যাল পরীক্ষার পর ২৫ অক্টোবর গোদাগাড়ী থানায় ধর্ষণের মামলা করেন ভুক্তভোগী। এ মামলায় ২০১২ সালের ১২ জুন দিলীপকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত।
