খানাখন্দে ভরা সড়ক ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২০, ২১:৪৫

থানামোড়-দাঁতভাঙ্গা শালু মোড়

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

রৌমারী থানা মোড় থেকে খনজনমারা বাইটকামারী হয়ে দাঁতভাঙ্গা শালু মোড় পর্যন্ত এলজিইডির অধীন ১৪ কিলোমিটার সড়কের একাধিক স্থানে ভাঙনসহ খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয়রা জানান, ভাঙাচুরা সড়কটি বর্তমানে দুর্ঘটনার ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বন্দবেড়, চর শৌলমারী ও দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের হাজারো বাসিন্দা প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সড়কটি দিয়ে যানবাহনে করে সরাসরি উপজেলা সদরে যাতায়াত করার মতো অবস্থা নেই। তিনটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা হেঁটে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়কটিতে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। সড়কের বড় বড় গর্তে বৃষ্টির পানি জমে আছে। স্থানীয়রা জানান, খনজনমারা স্লুইসগেট, মুখতলাসহ বিভিন্ন স্থান বন্যার পানির স্রোতে ভেঙে গেছে।

অটোবাইক চালক বাদশা, হাবিবুর, লালচান বলেন, রাস্তাটিতে গাড়ি নিয়ে বের হলে গর্তে পড়ে চাকা আটকে যায়। রাস্তাটি মেরামত না করায় রাস্তাটি আর গাড়ি চালানোর উপযুক্ত নেই। বাধ্য হয়ে টাপুরচর হয়ে পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে রৌমারী যেতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আবু হানিফ মাস্টার জানান, বন্দবেড় ইউনিয়নের খনজনমার স্লুুইসগেট থেকে বাইটকামারী, পূর্বপাখিউড়া হয়ে দাঁতভাঙ্গা পর্যন্ত ১৪ কি.মি. পাকা রাস্তাটিতে ২০১৯ সালের বন্যায় অন্তত ১৩ জায়গায় ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান মো. কবির হোসেন জানান, বন্যায় সড়কটি ভেঙে-চুরে চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রৌমারী উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল বলেন, পাকা রাস্তাটি সংস্কার ও মেরামত করার জন্য টেন্ডার হয়েছে, আশা করি খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে।