করোনা ভাইরাস আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। তার মধ্যে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করা, হ্যান্ডগ্লাভস পরার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। ভাইরাসটি একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে মূলত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে মার্চ মাসে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বারবার নির্দেশ দেওয়া হয়—বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যেসব নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা যেন জনগণ মেনে চলে। প্রথমদিকে সমস্ত নিয়ম মেনে চললেও ধীরে ধীরে নিয়ম ভঙ্গ করা শুরু হয়। বর্তমানে বাইরে বের হলে মনে হয় করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব নেই। হ্যান্ডগ্লাভস তো দূরের কথা, অধিকাংশ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে না। মানুষের এই মাস্ক ব্যবহারের প্রতি অনীহা যতই দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বলা হয়েছে, শীতকালে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ আরো বাড়তে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে ধীরে ধীরে শীত আগমনের জানান দিচ্ছে। করোনা নিয়ে মানুষের মধ্যে যে সচেতনতার অভাব দেখা দিয়েছে সেদিকে নজর দেওয়া এবং সচেতনতা বাড়ানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। মানুষের মাস্ক ব্যবহারে যে অনীহা তা যদি দূর না হয় এবং মানুষ যদি এভাবে চলাফেরা করে তাহলে এর পরিণতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তাই জনসাধারণের মাস্ক ব্যবহারে বিকল্প নেই।
ইসরাত জাহান, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ
