কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
কচুয়া (চাঁদপুর) সংবাদদাতা
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি নষ্টসহ চিকিত্সক সংকট রয়েছে। এতে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া বছরের পর বছর ধরে বন্ধ রয়েছে অপারেশন থিয়েটার। সরেজমিনে জানা গেছে, এ হাসপাতালে চিকিত্সকের ২১টি পদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত্ ৯টিই শূন্য। আবার ৯টি শূন্য পদের মধ্যে আটটিই হচ্ছে কনসালট্যান্টের পদ। এখানে গাইনি কনসালট্যান্টের পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। ফলে মহিলাদের জটিল রোগের চিকিত্সা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া সার্জিক্যাল কনসালট্যান্টের পদ শূন্য থাকায় অপারেশন থিয়েটার বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। আর এক্সরে মেশিনটি ১০ বছর যাবত্ অকেজো। এক্সরে, রেডিওলজিস্ট ও এক্সরে টেকনিশিয়ানও নেই। ইসিজির মেশিনটিও বর্তমানে নষ্ট হয়ে আছে। এতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না। কনসালট্যান্ট চিকিত্সক সংকট বিষয়ে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন সাখাওয়াত উল্যাহ জানান, কনসালট্যান্ট চিকিত্সকের খসড়া তালিকা প্রণয়ন হয়েছে। তালিকা যাচাই বাচাইয়ের কাজ চলছে। আগামী দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে কনসালট্যান্টে চিকিত্সকের শূন্যপদগুলো পূরণ হয়ে যাবে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদ চিকিত্সক সংকট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি নষ্টের সত্যতা স্বীকার করে জানান, এসব সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
