বৈরী আবহাওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের অভিযোগে মামলা

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২০, ২১:২৩

রাঙ্গাবালীতে স্পিডবোট ডুবি

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

রাঙ্গাবালীর আগুনমুখা নদীতে স্পিডবোট ডুবিতে পাঁচ জন নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করে বেপরোয়া গতিতে স্পিডবোট চালানোর অভিযোগে শনিবার রাতে রাঙ্গাবালী থানায় সাত জনের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়। ঐ নৌদুর্ঘটনা থেকে বেঁচে আসা কৃষি ব্যাংক বাহেরচর শাখার ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তবে দুর্ঘটনায় তার সহকর্মী মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে।

দুর্ঘটনার জন্য স্পিডবোট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে চালক আবুল হোসেন মাতুব্বর ও কোড়ালিয়া ঘাটের ম্যানেজার বশির উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট সাত জনকে আসামি করা হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঘাট পরিচালনা কমিটির লোকজন ও চালকের যোগসাজশে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করে বেপরোয়া গতিতে স্পিডবোট চালানোর কারণে দুর্ঘটনা হয়।

মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙ্গাবালী থানার ওসি আলী আহম্মেদ বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে একই ঘটনায় শুক্রবার মেরিন কোর্টে স্পিডবোট পরিচালনাকারী ও চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। বিআইডাব্লিউটিএর পটুয়াখালী নদী বন্দরের ট্র্যাফিক ইন্সপেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঘাট ত্যাগ, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, রুট পারমিট অনুযায়ী চলাচল না করা, সনদধারী চালক না থাকাসহ নানা অপরাধের অভিযোগে ঐ মামলা করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার কোড়ালিয়া থেকে গলাচিপার পানপট্টির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া আহম্মেদ এন্টারপ্রাইজের একটি স্পিডবোট আগুনমুখা নদীর মাঝামাঝি গিয়ে ঢেউয়ের তোড়ে তলা ফেটে ১৭ জন যাত্রী ও এক চালকসহ ডুবে যায়। ঐদিন চালকসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ পাঁচ জনের লাশ শনিবার সকালে উদ্ধার করা হয়।