ড্রয়ে বাধ্য চেলসি-ইউনাইটেড
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রতিপক্ষের মাঠে যেমনই হোক, নিজেদের মাঠে আধিপত্যটা ঠিকই ধরে রেখেছে লিভারপুল। শনিবার রাতে শেফিল্ড ইউনাইটেডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও তুলে নিয়েছে ২-১ ব্যবধানের জয়। এদিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসির ম্যাচটি শেষ হয়েছে গোলশূন্যভাবে।
লিভারপুলের সময়টা শেষ কিছু দিন ধরে ভালো যাচ্ছে না মোটেও। অ্যাস্টন ভিলার কাছে ৭-২ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হওয়ার পর মার্সিসাইড ডার্বিতে এভারটনের সঙ্গে ড্র করে ২-২ গোলে। সে ম্যাচে লিগামেন্ট ছিঁড়ে বড় সময়ের জন্য ছিটকে যান ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক।
শেফিল্ডের বিপক্ষে শুরুটাও ভালো হয়নি কোচ য়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যদের। ১৩ মিনিটে স্যান্ডার বার্গের গোলে পিছিয়ে পড়ে অল রেডরা। এরপর ৪১ মিনিটে রবার্তো ফিরমিনোর গোলে সমতা ফেরানো দলটি জয়সূচক গোলটি পায় ৬৪ মিনিটে, দিয়োগো জোটার লক্ষ্যভেদে। এতে করে প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের মাঠে অপরাজিত থাকার রেকর্ডটাকে ৬২ ম্যাচে উন্নীত করে ক্লপের দল। শেষ ২৯ ম্যাচে যেন আরো ক্ষুরধার দলটি, নিজেদের মাঠে এ সময়ে জিতেছে ২৮টি ম্যাচই!
ম্যাচের পর প্রতিক্রিয়ায় পিছিয়ে পড়েও হাল না ছাড়ার মানসিকতার প্রশংসা করেন কোচ ক্লপ। তিনি বলেন, ‘এমন ম্যাচগুলোকে ভালোবাসি আমি। আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এখানে। এমন ম্যাচের ফলাফল যখন আপনার পক্ষে আসবে, আরো কিছু ম্যাচও সহজ হয়ে যায় তখন।’
এদিকে ইউনাইটেড ও চেলসির ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হলেও নিরুত্তাপ ছিল না মোটেও। ম্যাচের ৪০ মিনিটে চেলসির এক কর্নারে চেজার অ্যাজপ্লিকুয়েতাকে আটকে রেখেছিলেন ইউনাইটেড ডিফেন্ডার হ্যারি ম্যাগুয়ের। এ নিয়ে চেলসি খেলোয়াড়রা পেনাল্টির আবেদন করলেও সাড়া দেননি রেফারি, হননি ভিএআরের দ্বারস্থও।
এ নিয়েই যত ক্ষোভ চেলসি কোচ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের। তিনি বললেন, ‘বক্সের ভেতরে আটকে রাখা যায়, তা ঠিক। কিন্তু ও যেভাবে মাথা আটকে রেখেছিল, তা ঠিক নয় আদৌ। ভিএআর আরেকটু সময় নিয়ে দেখতে পারত, রেফারি মনিটরে গিয়ে আবারও ঘটনাটা দেখতে পারত। তখন যে আমরা পেনাল্টি পেতাম, তা নিশ্চিত।’
