চাই মনোভাবের পরিবর্তন

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২০, ২২:০৮

বেকারত্বের কারণ হিসেবে কারিগরি জ্ঞানের স্বল্পতা, উদ্যোক্তার অভাব, দক্ষ জনশক্তির অভাব ইত্যাদিকে দায়ী করা যায়। অনেকে চাকরির জন্য শহরমুখি হয়ে পড়েছেন, আবার কেউ কেউ কায়িক শ্রমকে অপমানজনক মনে করে থাকেন। যার কারণে বেকারদের সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। আমাদের দেশে এখনো শিক্ষা গ্রহণের একমাত্র উদ্দেশ্য চাকরির প্রতি প্রলোভন। ফলে শিক্ষার হার বাড়ার পাশাপাশি বেকারত্বের হারও বাড়ছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষাকে শুধু চাকরির উদ্দেশ্যে নয়, বরং জীবনের বাস্তব কলাকৌশলেও প্রয়োগ করে থাকে। তাই কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব না দিয়ে উপায় নেই। কেননা কারিগরি শিক্ষাই পারে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে। প্রচলিত শিক্ষাজীবন বাস্তব অভিজ্ঞতার বিপরীতমুখি। দেখা যায়, অনেকে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে ডিগ্রি নিয়ে ব্যাংকে কাজ করেন, আবার কেউ কেউ বাংলায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেও ব্যাংকে চাকরি করছেন। ফলে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় বিঘ্ন ঘটছে। কুটিরশিল্প বেকারত্ব দূরীকরণে সহায়ক। তাছাড়া প্রযুক্তিগত শিক্ষাও বেকারত্ব দূর করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। সর্বোপরি বলা যায়, বেকারত্ব নামক সমস্যা দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর, সর্বোপরি মনোভাব পরিবর্তন একান্ত প্রয়োজন।

মো. আকিব হোসাইন

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ