নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১৯:০৩

মাহিমা ইউসুফ তারানা, শিক্ষার্থী

দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

৪৬। বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হবার কারণ কী?

উত্তর: বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে, ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত, তাই বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা।

৪৭। বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয়সংবলিত মানচিত্র কারা তৈরি করে? ও কবে?

উত্তর: ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করে।

৪৮। বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্রে কতটি বলয় দেখানো হয়েছে? - কী কী?

উত্তর: মানচিত্রে তিনটে বলয় দেখানো হয়েছে। এদের ‘সিসমিক রিস্ক জোন’ বলা হয়।

১) প্রথম বলয় - প্রলয়ঙ্করী।

২) দ্বিতীয় বলয় - বিপজ্জনক।

৩) তৃতীয় বলয় - লঘু।

৪৯। ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশের কী কী প্রস্তুতি নেয়া উচিত?

উত্তর

১) বাড়ি তৈরির সময় ‘ন্যাশেনাল বিল্ডিং কোড’ অনুসরণ করতে হবে।

২) ইটের তৈরি দেয়াল করলে ৪ তলার বেশি করা উচিত নয়।

৩) দরজা ও জানালা ঘরের কোনায় না হওয়াই ভালো ।

৫০। ভূমিকম্পকালীন প্রস্তুতিতে করণীয় কী কী?

উত্তর

১) ব্যাটারিচালিত রেডিও এবং টর্চ বাড়িতে রাখা।

২) প্রাথমিক চিকিত্সার সরঞ্জাম রাখা।

৩) বাড়ির সবচেয়ে সুরক্ষিত স্থানটি চিহ্নিত করা।

৪) হাসপাতাল, ফায়ার ব্রিগেড প্রভৃতির ফোন নাম্বার সাথে রাখা।

৫) বাচ্চাদের ভূমিকম্পের সময় কী করতে হবে, তা শিখিয়ে দেয়া।

৫১। ভূমিকম্পের সময়ে জনসাধারণের করণীয় কী কী?

উত্তর: ১) নিজেকে ধীরস্থির ও শান্ত রাখা।

২) একতলা দালান হলে দৌড়ে বাইরে চলে যাওয়া।

৩) বাইরে থাকলে ঘরে প্রবেশের চেষ্টা না করা।

৪) বহুতল ভবনের ভিতর থাকলে টেবিল বা খাটের নিচে ঢুকে যাওয়া এবং কাঁচের জানালা থেকে দূরে থাকা।

৫) প্রয়োজনে ঘরের কোণে বা বিল্ডিং এর কলামের গোড়ায় আশ্রয় নেওয়া।

৫২। ভুমিকম্পের পর একজন সচেতন ব্যক্তির করণীয় কী কী?

উত্তর: ১) নিজের এবং অন্যদের আঘাত পরীক্ষা করা এবং প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়া।

২) পানি, গ্যাস ও বৈদ্যুতিক লাইন পরীক্ষা করা।

৩) বাড়ির দরজা-জানালা খুলে দেওয়া।

৪) রেডিও, টেলিভিশন ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যম খোলা রাখা, যাতে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে প্রচারিত তথ্য শোনা যায়।

৫) খালি পায়ে চলাফেরা না করা। লুটতরাজ থেকে সাবধান থাকা এবং অভিজ্ঞ লোকেদের পরামর্শ মত চলা।