সোহেল সারোয়ার চঞ্চল
জাতীয় ফুটবল দলের কর্মকাণ্ড চলছে। কিন্তু সেখানে ম্যানেজার নেই। ফুটবল ম্যানেজারের প্রয়োজনও অনুভব করছেন না খেলোয়াড়রা। তবে এই পদ পূরণের জন্য মাথাব্যথা রয়েছে বাফুফের। ম্যানেজার নিয়োগে বাফুফে সতর্ক থাকতে চায়। বড় ক্লাব হতেও অভিযোগ এসেছিল বাফুফে সভাপতির টেবিলে। কারণ ম্যানেজার নিয়ে অনেক বির্তক ছিল। সেটা বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনও জানেন। তাই এবার ম্যানেজার নিয়োগে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন বাফুফের বর্তমান কমিটির কাউকে ম্যানেজার করার পক্ষে না। সালাহউদ্দিন বলেছেন, ‘এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত, আমার মনে হয় না বোর্ডের (বাফুফে) কাউকে রাখব। বোর্ডের কাউকে রাখলে রুপুর কথা আসবে। এই বোর্ডে রুপুই অনেক দিন ধরে কাজ করছে। তার অভিজ্ঞতাই বেশি।’
জাতীয় দল এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ১৩ ও ১৭ নভেম্বর ফিফা প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সেই দুটি ম্যাচের জন্য কে হবে ম্যানেজার সেটা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনেও রয়েছে নানা গুঞ্জন। বাফুফে সভাপতি জানিয়েছেন তারা একজন পেশাদার ফুটবল ম্যানেজার নিয়োগ দিতে চান। ফুটবল জ্ঞান আছে এবং ট্যাকটিক্যাল বিষয়ে জ্ঞান রয়েছে এমন ম্যানেজার জরুরি নয়। সালাহউদ্দিন বললেন, ‘আমরা প্রফেশনাল এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার রাখতে চাই। নট ট্যাকটিক্যাল ম্যানেজার।’
গতকাল বিকালে বাফুফে ভবনে সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ম্যানেজার নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে আপনাদের মিডিয়াতে, ক্লাবগুলোতেও হয়েছে। গতবার সিলেকশন নিয়ে প্রবেলমও হয়েছিল। তাতে আমরা ম্যানেজারকে দোষও দিয়েছিলাম। আসলে ব্যাপার এটা না। আমরা কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। কোচ নিজেই বলেছে সে-ই টিম সিলেকশন করে।’
ম্যানেজার নিয়োগে এখনো চূড়ান্ত কিছুই হয়নি। কারণ এ ব্যাপারে ন্যাশনাল টিমস কমিটির মতামত লাগবে। এই কমিটি আগামী মাসেই সভায় বসবে বলে জানা গেছে। সেখানেই চূড়ান্ত আলোচনা করে ম্যানেজারের নাম প্রস্তাব করবে বাফুফের নির্বাহী কমিটিতে। আবার এমনো হতে পারে প্রীতি ম্যাচে ম্যানেজার ছাড়াই থাকবে ফুটবল দল।
নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি নিয়েও প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন চতুর্থবার বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘নেপালের বিপক্ষে আমরা হারব না জিতব এটা নিয়ে ভাবছি না। ছয় মাস ফুটবল হতে দূরে ছিলাম। আমাদের প্রথমে লক্ষ্য হচ্ছে খেলাটা মাঠে ফিরিয়ে আনা। অনেকেই অনেক কথা বলছেন, জিতবেন না হারবেন। হারলে কি হবে ? জেতা হারা নিয়ে যদি এখনই চিন্তা করি, আমাদের প্রথম কথা হচ্ছে মাঠে ফুটবল ফিরিয়ে আনা।’
