স্পোর্টস রিপোর্টার
তার বাঁশির দাপটে ফুটবল মাঠের দর্শকও আতঙ্কে থাকতেন। বিশাল বপু নিয়ে মাঠে আসলাম, রঞ্জিতদের সঙ্গে তখনকার ঢাকা স্টেডিয়ামের মাঠে দৌড়ানো কঠিন হলেও রেফারি আবদুল আজিজকে কখনোই দুর্বল মনে হতো না। কায়সার হামিদ, মোনেম মুন্না, আসলাম, চুন্নুদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রায় সমান স্ট্যামিনা নিয়ে খেলায় বাঁশি বাজিয়েছেন। সেই খ্যাতনামা রেফারি আবদুল আজিজ (৬৮) আর নেই। গতকাল বিকালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যান (ইন্নালিল্লাহি... রাজিউন)। আজিজ অনেক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। পেশাগত জীবনে অগ্রণী ব্যাংকে চাকরি করতেন। একই সময়ে খেলা পরিচালনা করতেন এবং সেই ব্যাংকের ফুটবল দলের কোচও ছিলেন তিনি। দক্ষতা এবং বেশ সাহসের সঙ্গে দেশের ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ সব খেলা পরিচালনা করেছেন সাবেক এই ফিফা রেফারি। মাঠে বাঁশি হাতে নামার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারির দর্শক আবদুল আজিজকে ‘আইজ্জা’ বলে চিত্কার করে খেপাতেন। খেলা চলাকালীন বহু খুনশুটির কথা এখনো ফুটবলারদের কণ্ঠে শোনা যায়। আবদুল আজিজকে ফুটবল অঙ্গন দীর্ঘদিন স্মরণ করবে। শোক জানিয়েছে বাফুফে।
ক্রীড়া সাংবাদিকের মৃত্যু
বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান (৫৫) আর নেই। গতকাল দুপুরে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে সমিতি।
