এএসআই রায়হানুলকে এখনো গ্রেফতার দেখানো হয়নি

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪৯

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর

রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের এএসআই রায়হানুল ইসলামের নেতৃত্বে নগরীর হারাগাছ থানার ক্যাদারের পুল এলাকায় একটি বাড়িতে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ডেকে এনে গণধর্ষণের ঘটনায় তাকে এখনো গ্রেফতার দেখানো হয়নি। তবে এ ঘটনায় আরো দুই জনকে লালমনিরহাট থেকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই। তারা হলো—লালমনিরহাট সদরের পূর্ব মাজাপাড়া এলাকার মাহমুদের ছেলে বাবুল হোসেন (৪৫) এবং পূর্ব থানা পাড়ার মৃত কাচু মিয়ার ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৪০)। পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা গণধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে।

এদিকে, সদ্য চাকরি থেকে বরখাস্ত এএসআই রায়হানুলকে এখনো গ্রেফতার না দেখানোয় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে। রায়হানুলের বাড়ি বগুড়ায় বলে জানা গেছে। গণধর্ষণের এই মামলাটির তদন্তভার পিআইবির কাছে থাকলেও রায়হানুলকে পুলিশ হেফাজতে রংপুর পুলিশ লাইন্সে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গণধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে সুমাইয়া আক্তার মেঘলা ও সুরভি আক্তার শম্পা নামে দুই নারীকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পিআইবি গতকাল মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতে হাজির করলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠায়। তাদের পক্ষে কেউ জামিনের আবেদন করেনি।

জানা গেছে, পূর্ব সম্পর্কের সূত্র ধরে গত রবিবার সকালে রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবির এসএসআই রায়হানুল (৩৫) নগরীর হারাগাছা থানাধীন ময়নাকুঠি কচুটারী এলাকার ঐ স্কুলছাত্রীকে ডেকে নিয়ে এসে ক্যাদারের পুল এলাকার একটি বাড়ির ভাড়াটিয়ার রুমে প্রথমে নিজে ধর্ষণ করে পরে আরো কয়েক যুবকদের দিয়ে তাকে ধর্ষণ করান। এ ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় ঐ ছাত্রীকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে গতকাল মঙ্গলবার রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে বাম দল। সমাবেশে বক্তারা ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।