পদত্যাগ করে বার্তেমিউ ‘মেসিকে চাইলেই ছাড়তে পারি না’

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২০, ২০:৫১

স্পোর্টস ডেস্ক

লিওনেল মেসি বার্সেলোনায় থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও ক্লাব সভাপতি জোসেফ মারিয়া বার্তেমিউয়ের অবস্থানটা ক্রমেই নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছিল। আর চলমান এই সংকটজনক অবস্থানের ইতি ঘটল মঙ্গলবার রাতে। বার্সেলোনার সভাপতি হিসেবে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন তিনি।

বার্তেমিউয়ের নেতৃত্বে কাতালান ক্লাবটি চারটি লা লিগা ও ২০১৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছে। তবে, প্রকাশ্য সাক্ষাত্কারে বার্তেমিউয়ের কড়া সমালোচনা করেছেন মেসি।

তাই, মেয়াদ শেষের আগেই তাকে সরাতে ক্লাবের ২০ হাজার সদস্য অনাস্থা ভোট আয়োজনের পক্ষে নিজেদের মত দেয়। প্রাথমিকভাবে আগামী রবিবার ও সোমবার তা আয়োজনের কথা ছিল। যদিও তার আগেই সব জল্পনা-কল্পনার ইতি ঘটল।

৩৩ বছর বয়সি মেসিকে ধরে রাখতে ‘রিলিজ ক্লজ’ আরোপ করেই সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হন তিনি। মেসিও সব ‘ঝাল মেটান’ বার্তেমিউয়ের ওপরই। পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে এতদিনে আত্মপক্ষ সমর্থন করেন তিনি।

বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, আমি জোর করে মেসিকে রেখে দিতে চেয়েছি, অনৈতিক কায়দায় আর্থিকভাবে লাভবান হতে চেয়েছি। এটা আসলে সত্যি নয়। আমি যা করেছি ক্লাবের মঙ্গলের জন্যই করেছি। আমি জানি, মেসি চলে গেলে ক্লাবের কী অবস্থা হবে। মেসিকে চাইলেই আমি ছাড়তে পারি না, তাকে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো ক্লাবে যেতে দিলে তাতে আমাদেরই ক্ষতি।’

২০১৪ সালে ক্লাব সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া বার্তেমিউয়ের প্রতি খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অসন্তোষ দানা বেঁধেছিল আগেই। গেল আগস্টে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ৮-২ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর মেসি ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়।

তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পেরেছি, ক্লাব ছাড়তে না পেরে সে রেগে গেছে। আমি ওর এবং ওর পরিবারের কাছে আমার অবস্থাটা ব্যাখ্যা করেছি। রোনাল্ড কোম্যানের দলের প্রাণভোমরা সে। আমি আশা করব, ভবিষ্যতে সে যেন সুখী হয়। আমি চাইব, সে যেন ক্লাবের সঙ্গে নতুন চুক্তি করে এখানেই ক্যারিয়ার শেষ করে।’