জমির খাজনা দেওয়া যাবে অনলাইনে

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২০, ২২:৫২

এখন থেকে অনলাইনেই ভূমি মালিকেরা জমির খাজনা দিতে পারবেন। এজন্য আর কষ্ট করে ভূমি অফিসে যেতে হবে না। এতে যেমন হয়রানি কমবে, তেমনি বন্ধ হবে দুর্নীতি। গতকাল বুধবার ‘হাতের মুঠোয় ভূমিসেবা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনলাইন-ভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার পাইলটিং (১ম পর্যায়) কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এ কথা জানানো হয়।

ভূমি সংস্কার বোর্ড এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ভূমি কর প্রদানের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশের ৩ কোটি ৬০ লাখ জনগণ এ সেবার মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। এতে মানুষের ভূমিসংক্রান্ত হয়রানি কমবে ও ভূমি অফিসের দুর্নীতি বন্ধ হবে। পাইলটিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এখন আটটি জেলায় অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা চালু করা হলেও আগামী বছরের জুলাই মাস নাগাদ  দেশব্যাপী এই সেবা চালু করা হবে। ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী। পাইলটিং কার্যক্রমে থাকছে পাঁচটি পৌর ভূমি অফিসের ১৩টি মৌজা ও চারটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ছয়টি মৌজা। পৌর ভূমি অফিসের মৌজাগুলো হচ্ছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও দক্ষিণ মতলব উপজেলার অন্তর্গত মিরপুর, গুদারারচর, নোয়াগাঁও, রুদ্রগাঁও, ভাটিরগাঁও, চরহোগলা, মোবারকদি ও ১৭৬ নম্বর ঢাকিরগাঁও মৌজা, মানিকগঞ্জ সদরের বনগ্রাম চক ও গঙ্গাধর পট্টি মৌজা, কিশোরগঞ্জ সদরের করমূলী ও মারিয়া মৌজা এবং জামালপুর সদরের সাতপাকিয়া মৌজা। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মৌজাগুলো হচ্ছে—গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতী ইউনিয়নের অন্তর্গত টুঙ্গিপাড়া মৌজা, ঢাকার সাভার উপজেলাধীন বাগধনিয়া ইউনিয়নের মজিদপুর ও আনন্দপুর মৌজা, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাধীন খাসখামা ইউনিয়নের হাইলধর ও মালঘর মৌজা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর ইউনিয়নের “দেওভোগ ‘ম’ খণ্ড” মৌজা।