টিসিবির পণ্য

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২০, ২২:০১

টিসিবি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছে। সাধারণ গ্রাহকরা সুষ্ঠুভাবে ক্রয় করতে পারছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকের মতামত আজ

প্রকাশিত হলো।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যের লাগাম টানতে টিসিবির পণ্য বিক্রি একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। কিন্তু অপ্রতুল মজুত, মানহীন পণ্য, বিড়ম্বনাপূর্ণ বিক্রয় ব্যবস্থাপনাসহ নানা কারণে নিম্নবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ সম্ভব হয় না। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোক্তার ক্ষুদ্র অংশের চাহিদা পূরণ করে খুচরা বাজারে পণ্যের মূল্য স্বাভাবিক পর্যায়ে আনা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দেশের সাধারণ ভোক্তাদের চাহিদানুযায়ী মানসম্পন্ন পণ্যের জোগান নিশ্চিত করা জরুরি। সেই সঙ্গে সুশৃঙ্খল বিক্রয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক দেশের সর্বত্র পর্যাপ্ত সংখ্যক বিক্রয়কেন্দ্র বা ডিলার নিয়োগ করতে হবে।

আবু ফারুক

বনরুপা পাড়া, বান্দরবান।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে টিসিবির পণ্য বিক্রি মন্দের ভালো সমতুল্য। কারণ ভোক্তা চাহিদার মাত্র তিন শতাংশ টিসিবি কর্তৃক সরবরাহ করা হয়। অনেকসময় তাদের বিক্রীত পণ্যের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠে। আবার, কতিপয় অসাধু ডিলারের অনিয়মের দরুন ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে ভোক্তাদের বেগ পেতে হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারের হঠাত্ অস্থিতিশীলতার লাগাম টানতে টিসিবির পণ্য মজুতের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যাও বাড়াতে হবে।

মোহাম্মদ ফয়সাল

পূর্ব মাদারবাড়ী,

চট্টগ্রাম।

দেশে নিত্যপণ্যের দাম যখন আকাশচুম্বী, সে সময়ে টিসিবির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবারাহ কার্যক্রমে নিম্ন আয়ের মানুষ তাদের স্বাভাবিক জীবনধারা বজায় রাখতে পারে। তাই আমরা আশা করব, টিসিবি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে এবং টিসিবির কর্মকর্তারা বিষয়টির প্রতি নজরদারি বাড়াবেন।

মো. মিজানুর রহমান প্রধান

গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ

টিসিবির মাধ্যমে যতই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবারাহ করা হোক না কেন, যতদিন পর্যন্ত সিন্ডিকট সমস্যার সমাধান না করা হবে ততদিন পর্যন্ত দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হবে না। এছাড়া টিসিবির পণ্য প্রতি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট স্থান থেকে বণ্টনের ব্যবস্থা করলে এর ফল সাধারণ জনগণ ভোগ করবে এবং সরকারের উদ্দেশ্য সফল হবে।

আবুল হাসনাত মিঠু

কাজলা, ভাঙ্গাপ্রেস

চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি, পেঁয়াজ, আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে সরকার টিসিবির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভোগ্যপণ্য পৌঁছে দিতে শুরু করায় মানুষের ভোগ্যপণ্য ক্রয় ক্ষমতা নাগালের বাইরে যায়নি। শহরের পাশাপাশি গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে টিসিবির পণ্য বিক্রয় করা হলে উপকার ভোগীর সংখ্যা বাড়ত। টিসিবির ভোগ্যপণ্য সুষ্ঠুভাবে বিক্রয় করা হোক এটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

সাধারণ গ্রাহকরা টিসিবির পণ্য সুষ্ঠুভাবে পাচ্ছে না বললে ভুল হবে। তবে বেশির ভাগ গ্রাহকই পণ্য বিতরণের ভোগান্তির জন্য লাইনে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে চায় না। কাজেই টিসিবির এই বিতরণব্যবস্থা যদি সবার কাছে পৌঁছাতে হয় তাহলে শুধু শহরের গুটি কয়েক স্থানের পরিবর্তে গ্রামেগঞ্জে, পাড়ামহল্লায়, গলির মোড়ে মোড়ে এর সুষ্ঠু বিতরণের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি সর্বত্র মাইকিং ও লিফলেটের মাধ্যমে জনগণকে প্রতিনিয়ত অবহিত করতে হবে। আর কোনো অবস্থাতেই যেন মাপের কারচুপি না হয়, সে জন্য মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম

চৌধুরী (হিফজু)

বি-বাড়িয়া সদর,বি-বাড়িয়া

টিসিবির ন্যায্যমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির বিষয়টিতে অনেক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তাই অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান

নাজিমউদ্দিন রোড,ঢাকা

সরকার কর্তৃক টিসিবির মাধ্যমে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য বিতরণ করা একটি সফল উদ্যোগ। টিসিবির পন্য সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করা হলে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

খন্দকার কামরুজ্জামান

মিরপুর, ঢাকা-১২১৬

টিসিবি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি টিসিবির বিভিন্ন পণ্য সঠিকভাবে অনেকেই পাচ্ছেন না। তাই বিক্রয়ের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না সেটি যথাযথভাবে মনিটরিং করতে হবে।

মারুফুজ্জামান

বাসাবো, ঢাকা

টিসিবির অভ্যন্তরেই একটি অবৈধ সিন্ডিকেট কাজ করে-এমন অভিযোগ রয়েছে। তাই সিন্ডিকেট নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনেক বেশি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

টিসিবির পণ্য খোলা বাজারে চলে যায়-প্রায়শই এ ধরনের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ ভোক্তারা যেমন ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি টিসিবির পণ্য কম দামে কিনে সুযোগ সন্ধানী মুনাফাখোররা টাকার পাহাড় বানাচ্ছেন। এ ব্যাপারে টিসিবি কর্তৃপক্ষকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

মো. ইফতেখার হোসাইন লিটন

হাইমচর, চরভৈরবী

টিসিবি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছে। কিন্তু গরিব, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষেরা  ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে পারছে না। এটি কাম্য নয়। সুতরাং টিসিবির আরো  নজরদারি বাড়াতে হবে।

আইরিন সুলতানা সন্জু

মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম

সাধারণ গ্রাহকেরা টিসিবির ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সুষ্ঠুভাবে ক্রয় করতে ব্যর্থ হচ্ছে। টিসিবির পণ্য বিক্রয়কারী এজেন্টেদের অনেকেই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে কোনো কোনো এজেন্টের লোক টিসিবির পণ্য ওজনে কম দেয় এবং চোরাইভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করে। টিসিবির কর্মকর্তারাদের এ ব্যাপারে ্্তদারকী বাড়াবে—এটিই প্রত্যাশা।

মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ

সরদারপাড়া, মুন্সীগঞ্জ

টিসিবির পণ্য রাজধানীর বাইরে বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা এলাকায় নিয়মিত দেওয়া হয় না। টিসিবির পণ্য বিতরণের আগে মাইকিং করে বা পোস্টারের মাধ্যমে জনগণকে জানিয়ে দেওয়া উচিত। টিসিবির পণ্যদ্রব্য যেন নিয়মিতভাবে প্রতিটি জেলা উপজেলায় বিতরণ করা হয় সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

মাখরাজ খান, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

টিসিবির পণ্য বিক্রি অনেকটা লোক দেখানো জিনিস। সাধারণ গ্রাহকেরা লাইনে দাঁড়িয়ে হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। টিসিবির পণ্যসামগ্রী বিক্রির পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি নজরদারিও জোরদার করা উচিত।

মাসুদ আলম বিপ্লব

লালবাগ, ঢাকা

সাধারণ গ্রাহকরা যদি টিসিবির পণ্য না পায় তাহলে এসব পণ্য বিক্রি করে কি লাভ? তাই টিসিবির পণ্য বিক্রির বিষয়ে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আনতারা আনিকা লাবণ্য

আজিমপুর, ঢাকা

টিসিবির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা খুব একটা সফল নয়। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে সীমিত সরবরাহে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভোক্তা চাহিদা পূরণের অসমর্থতা। নিম্নবিত্ত শ্রেণির লোকজন ন্যায্য দামে টিসিবির পণ্য সংগ্রহ করতে পারলেও মধ্যবিত্ত ভোক্তারা এর সুফল না পাওয়ায় তাদেরকে স্থানীয় বাজার থেকে অতিরিক্ত দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হয়। 

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান সদর,

বান্দরবান

দেশের বিভিন্ন এলাকায় ন্যায্যমূল্যে টিসিবির নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বিক্রি হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্দ্ধগতির এই সময়ে টিসিবির পণ্য বিতরণ মধ্যবিত্ত ও গরিবদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। তবে এখানেও  নানা অনিয়ম ও জটিলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।  তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সব ধরণের প্রতিবন্ধকতা দূর করবে এটিই সকলের প্রত্যাশা।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

দুধনই ধোবাউড়া,

ময়মনসিংহ।

টিসিবির পণ্য পূবাইলে বিক্রি করতে দেখা যায় না। কোন ডিলার ন্যায্যমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি করছে সেটি গ্রাহকরা জানে না। পূবাইলে বাসাভাড়া কম থাকায় দরিদ্র, হতদরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ বসবাস করছে। শুধু পুবাইলেই নয়, দেশের সর্বোত্র যেন টিসিবির পন্য সরবারাহ অব্যাহাত থাকে সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি দেয়া উচিত।

জিয়াউল হক সরকার

পূবাইল, গাজীপুর।  

টিসিবি নিত্যপ্রয়োজীয় দ্রব্যসামগ্রীর জরুরি চাহিদা মেটাতে কিংবা চরম ঘাটতি পূরণে বিশেষ ব্যবস্থায় আমদানিকৃত কিংবা রাষ্ট্রীয় গুদামে সংরক্ষিত দ্রব্যসামগ্রী ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে বিক্রি করে থাকে। টিসিবি যদি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মাধ্যমে  ন্যায্যমূল্যে পণ্যসামগ্রী বিক্রি করে তবে উদ্যোগটি আরো সফল হবে।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

মগবাজার, ঢাকা ।

টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম পর্যাপ্ত নয়। আরো বেশি পয়েন্টে কার্যক্রম পরিচালিত হলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হতো।

সালেহা আফরিন বেবী

শিবগঞ্জ, সিলেট।

টিসিবি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যার কাজ হচ্ছে স্বল্পমূল্যে ভোগ্যপণ্য সারা দেশে ভোক্তার কাছে পৌঁছান। কিন্তু দুঃখের বিষয়, টিসিবির পণ্য বিক্রি শুধু সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ফলে এর সুফল সারা দেশের নিম্নবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষ ভোগ করতে পারছে না। এই কার্যক্রম সারা দেশের ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে বিস্তৃত করা প্রয়োজন।

মো. জিল্লুর রহমান

গেন্ডারিয়া, ঢাকা।