মাসখানেক আগে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছিল বিশ্বকে। বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে করা এই সমীক্ষা এক মর্মান্তিক সত্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল আমাদের। আমরা জানতে পেরেছিলাম যে কোভিড ১৯-এর সংক্রমণ এবং তার জেরে ঘটে যাওয়া লকডাউন, শারীরিক দূরত্ববিধি আরোপের বিষয়গুলি কতটা মাসখানেক আগে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছিল বিশ্বকে। সমস্যায় ফেলে দিয়েছে দৃষ্টিহীনদের! বধির ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ঠিক এ সমস্যা না থাকলেও সন্দেহ নেই যে তাঁদেরও জীবনযাত্রা একেবারে মসৃণ নয়! প্রতিবন্ধকতাই তার প্রধান কারণ। আর এই লক্ষ্যেই চমকে দিচ্ছে ইউনাইটেড স্টেটসের এক বধির ভারতীয় বিজ্ঞানী ধ্রুব জৈনের নতুন আবিষ্কার। স্মার্টওয়াচ আমাদের নানা নোটিফিকেশন পাঠায় ঠিকই, কিন্তু সেই কাজটিকেই কেবল একটি বিশেষ ক্ষেত্রে সীমিত রেখে তিনি উদ্ভ্ভাবন করেছেন সাউন্ডওয়াচ। অর্থাত্ যে স্মার্টওয়াচ কেবল আশেপাশের শব্দ শুনে তা সম্পর্কে সজাগ করবে বধির ব্যক্তিদের। জৈন জানিয়েছেন যে তিনি প্রথম এই সাউন্ডওয়াচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখেন নিজের ক্ষেত্রে। তাঁর বক্তব্য, হাইকিংয়ের সময়ে পাখির ডাক এবং ঝরনার জলের শব্দের নোটিফিকেশন তিনি সেট করে রেখেছিলেন। যা কি না তাঁকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকার আস্বাদন দেয়।
