পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও দুই বছরের মেয়েকে হত্যার দায়ে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। রবিবার রাতে এ দণ্ড কার্যকর করা হয়। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্যক্তি আবদুল গফুর (৪৭) লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানার দক্ষিণ চর লরেন্স এলাকার শামসুল হকের ছেলে। জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর সব আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবদুল গফুরের মরদেহ তার স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালাম, সিভিল সার্জন ডা. মো. খায়রুজ্জামান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২০০৬ সালে লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানার দক্ষিণ চর লরেন্স এলাকায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী কন্যাশিশুকে হত্যার এ ঘটনা ঘটে। মামলায় ২০০৮ সালের ২৮ এপ্রিল লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুল গফুরকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করলে সেখানেও তার মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে তাও খারিজ হয়।
