খুলনায় ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ১২ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সঞ্জয় শীল (৫২) নামে এক হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সকের বিরুদ্ধে। সঞ্জয় শীল বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
পুলিশ জানায়, বটিয়াঘাটা উপজেলার শুকদাড়া গ্রামের ওই মাদ্রাসাছাত্রীর মা বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করেন। মেয়েটির বাবা মারা গেছেন। পার্শ্ববর্তী গঙ্গারামপুর গ্রামের মৃত বিনোদ শীলের ছেলে হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সক সঞ্জয় শীলের কাছে মাঝেমধ্যে ঐ ছাত্রী ও তার মা চিকিত্সা নিতে যেতেন। চিকিত্সকও চিকিত্সা দিতে ঐ ছাত্রীর বাড়িতে আসত। শনিবার বিকালে চিকিত্সক সঞ্জয় শীল ঐ ছাত্রীর বাড়িতে আসে। তার মা বাড়িতে নেই জেনে সঞ্জয় শীল ঘরে ঢুকে ঐ ছাত্রীকে চিকিত্সার নামে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দেয়। মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে সঞ্জয় তাকে ধর্ষণ করে। কিছু সময় পর ধর্ষণের শিকার ছাত্রীটির জ্ঞান ফিরে আসলে তার চিত্কারে আশপাশের লোকজন এলে সঞ্জয় দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ছাত্রীর মা গত রবিবার সঞ্জয় শীলকে আসামি করে স্থানীয় থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে সোমবার খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বটিয়াঘাটা থানার ওসি (তদন্ত) উজ্জ্বল কুমার দত্ত বলেন, সঞ্জয় শীলকে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।
ঈশ্বরগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রী ধর্ষণের শিকার
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। রবিবার রাতে ধর্ষণের শিকার নারী মামলাটি করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাড়াভাসাটি গ্রামের নির্যাতিতার স্বামী তিন বছর ধরে প্রবাসে চাকরি করছেন। প্রতিবেশী মগটুলা ইউনিয়নের পাড়াভাসাটি গ্রামের মৃত আবদুল মন্নাছের ছেলে মজিবুর রহমান (৪০) ও গৃহবধূকে দীর্ঘদিন ধরে নানা কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। গত ৩০ অক্টোবর রাতে ঐ নারী ঘরের বাইরে বের হলে মজিবুর তার মুখ চেপে ধরে নিজের দোকানের পাশে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করে। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আবদুল কাদের মিয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ধর্ষককে আটকের চেষ্টা চলছে।
চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা
শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা জানান, গাজীপুরের শ্রীপুরে চকলেটের লোভ দেখিয়ে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৩১ অক্টোবর বিকালে উপজেলার বেড়াইদেরচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষকের হুমকিতে ভয়ে আইনের আশ্রয় নিতে পারেনি ভুক্তভোগীর পরিবার। গতকাল সোমবার বিকালে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শিশুর পিতা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় অভিযোগ করেছেন। শিশুর পিতা জানান, ৩১ অক্টোবর বিকালে বেড়াইদেরচালা গ্রামের আলমগীর হোসেনের পুত্র বখাটে মমিন (১৬) তার পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের চেষ্টাকালে প্রতিবেশীরা দেখতে পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে। মমিন পালিয়ে যায়। শ্রীপুর থানার ওসি খন্দকার ইমাম হোসেন জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোবাইল ফোনের সূত্রে ধর্ষককে পাকড়াও
স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া জানান, মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরে এক মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামিকে রবিবার রাতে গ্রেফতার করেছে বগুড়া সদর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত যুবক আমিনুর বগুড়া সদরের কাহলা গ্রামের আলতাব হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় মামলা করেছেন ছাত্রীর বাবা। থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, এ ঘটনায় সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বগুড়া সদর থানায় মামলা হয়েছে।
কালিয়াকৈরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) সংবাদদাতা জানান, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিয়ের নাটক সাজিয়ে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোমবার সকালে আতিকুর রহমান (২২) নামে এক বখাটেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আতিক উপজেলার ফুলবাড়িয়া বাজার এলাকার আজাহার আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে সোমবার সকালে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা করেছেন।
বাঁশখালীতে ধর্ষণ মামলার আসামি কুমিল্লায় গ্রেফতার
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের সিন্ধিপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় গত ১৯ অক্টোবর শিশুধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মোজাম্মেল হককে (৫৫) রবিবার রাতে র্যাব-৭ কুমিল্লার দেবিদ্বার এলাকা থেকে আটক করেছে। আটক মোজাম্মেল হক চাম্বল সিন্ধিপাড়া এলাকার মৃত আবদুল মজিদের পুত্র। সোমবার দুপুরে তাকে র্যাব-৭ বাঁশখালী থানায় সোপর্দ করেছে বলে জানিয়েছেন থানার এসআই নাজমুল হাছান জয়।
