কুমিল্লার চান্দিনায় বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মাদরাসায় পড়ুয়া ১১ বছর বয়সী শিশুকে নবী হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহত ওই শিশু কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার(ওসিসি)তে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার পর থেকে পুলিশ অভিযুক্ত নবীকে আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে।
জানা গেছে, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাইজখার গ্রামের এক কন্যা শিশুকে কুমিল্লা মহানগরীর একটি মহিলা মাদরাসায় ভর্তি করায় তার অভিভাবক। গত সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে ওই মাদ্রাসা ছাত্রী তার অপর এক বান্ধবীকে সাথে নিয়ে মাদরাসা থেকে বাড়ির আসার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা শাসনগাছা বাস স্টেশন থেকে বাসে উঠে। ওই বাসে ছিলেন একই গ্রামের নবী হোসেন নামের এক কাঠ মিস্ত্রি। বাসটি চান্দিনা স্টেশনে আসার পর ওই ছাত্রীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অপর বান্ধবীকে তার বাড়ি পাঠিয়ে দেন নবী হোসেন। চান্দিনা থেকে সিএনজি অটোরিকশা যোগে ওই ছাত্রীকে বাড়ি পৌঁছে না দিয়ে সন্ধ্যায় গ্রামের একটি ধান ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে কাঠ মিস্ত্রি নবী। ধর্ষণের পর ওই শিশুকে বাড়ির কাছে নিয়ে ছেড়ে দিলে শিশুর অভিভাবকরা আহতাবস্থায় চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনেন। রাতেই তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি’তে ভর্তি করান।
আরো পড়ুন: তাহলে কী আবারো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!
আহত ওই শিশুর নানা নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমার নাতনির শারীরিক অবস্থা ভালো না, চিকিৎসা চলছে। পুলিশকে সবকিছু অবহিত করেছি, সন্ধ্যায় চান্দিনা থানায় মামলা দায়ের করবো।
চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামস্উদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, শিশুকে সোমবার রাতে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর বিষয়টি জেনেছি। তারপর থেকে ঘটনার সাথে জড়িত নবী হোসেনকে আটক করতে আমাদের অভিযান চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা প্রক্রিয়াধীন।
ইত্তেফাক/এএএম
