যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মাঝে যখন ভোট যুদ্ধ জমে উঠেছে, তখন ট্রাম্প ভোট গণনা বন্ধ করতে বলেছেন।
বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইটারে লিখেন, ‘গণনা বন্ধ করুন।’
এর আগে বুধবার ট্রাম্প এই নির্বাচনকে ‘মার্কিন জনগণের ওপর এক জালিয়াতি’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি ‘সব ভোট বন্ধ’ করার ডাক দেন।
ভোট গণনা বন্ধ করার জন্য ট্রাম্পের প্রচারণা দল বেশ কয়েকটি রাজ্যে মামলা করেছে। তবে জালিয়াতি বা কারচুপির ওপর কোন প্রমাণ তারা দাখিল করতে পারেনি।
এ বিষয়ে ট্রাম্প আরেক টুইট বার্তায় বলেন, ‘জালিয়াতির প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। কেবল মিডিয়াগুলো পরীক্ষা করে দেখুন। আমরা জিতব! আমেরিকা প্রথম!’
এদিকে নেভাডার রিপাবলিকান পার্টিও বলছে যে, ভোট জালিয়াতির অভিযোগে তারা মামলা করতে যাচ্ছে। তাদের দাবি, প্রায় ১০ হাজার লোকের ভোট পড়েছে যারা ঐ অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দাই না।
রিপাবলিকান পার্টির কৌশল প্রণয়নকারী সেথ ওয়েদার্স বিবিসিকে বলেছেন, ট্রাম্প চাইছেন গণনা প্রক্রিয়ায় রিপাবলিকানদের অধিকতর পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়ার আগে সব গণনা বন্ধ রাখা হোক।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেতে দেশজুড়ে মোট ৫৩৮ ইলেকটোরাল কলেজ রয়েছে। প্রেসিডেন্ট হতে হলে কমপক্ষে ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে জয়ের প্রয়োজন হয়। সিএনএন বলছে, এখন পর্যন্ত বাইডেন জয় পেয়েছেন ২৫৩টি। আর ট্রাম্প জয় পেয়েছেন ২১৪টিতে।
এবারের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের ছোট অঙ্গরাজ্য নেভাদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কারণ বাইডেন নেভাদা ও অ্যারিজোনায় এগিয়ে রয়েছেন। এ দুই অঙ্গরাজ্যে জিতলে ২৭০ ইলেকটোরাল ভোট নিশ্চিত হবে বাইডেনের। কিন্তু নেভাদার ভোট গণনা শেষ হতে সময় লাগবে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
STOP THE COUNT!
— Donald J. Trump (@realDonaldTrump) November 5, 2020
ইত্তেফাক/জেডএইচ
