চলনবিলের পানি কমতে শুরু করায় জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে নানা প্রজাতির দেশি মাছ। এই সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা নিষিদ্ধ সোঁতি জাল ব্যবহার করে দেদারে মাছ শিকার করে চলেছেন। মাছগুলোর মধ্যে বেশি ধরা পড়ছে পুঁটি ও সরপুঁটি মাছ। শুক্রবার রাতে উপজেলা শহরে অন্তত পাঁচশ মণ মাছ আমদানি করা হয়। প্রতি কেজি সরপুঁটি মাছ বিক্রি করা হয়েছে মাত্র ৫০ টাকায়।
এলাকাবাসীরা বলেন, মাছগুলো স্বাভাবিকভাবে ধরা হলে পুরো মৌসুমেই মাছ পাওয়া যেতো। কিন্তু একবারে ধরে নিষিদ্ধ সোঁতি জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করায় কয়েকদিনের মধ্যেই মাছের সঙ্কট তৈরি হবে।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে জুয়েল হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
ভাঙ্গুড়া উপজেলা মৎস্য অফিসার আজম বলেন, চলনবিলের হান্ডিয়াল কাটা গাং, মির্জাপুর ও নিমাইচড়া এলাকা থেকে নিষিদ্ধ সোঁতি জালে এসব মাছ ধরা হচ্ছে। এলাকাগুলো অন্য উপজেলার মধ্যে হওয়ায় তার কিছু করার নাই।
ইত্তেফাক/এসি
