সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাড়াদুগালী এলাকায় দুগালী- হাটবায়ড়া সড়কে গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছর ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের ৩১ লাখ ৬১হাজার ১৪৭ টাকা ব্যয়ে এই ৪০ ফুট কংক্রিট ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়।
কিন্তু ব্রিজের দুই পাশে কোন সংযোগ সড়ক না থাকায় ওই এলাকার গালা ইউনিয়নের দুগালী, পাড়া দুগালী, চরদুগালী, হাট-বায়ড়া, গাছবায়ড়া এই পাঁচ গ্রামের মানুষদের প্রতিদিন খালের উপর ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে পাড়াপাড় করতে হয়।
এ বিষয়ে দুগালী গ্রামের মহির আলী ও আফজাল হোসেন জানান, এক বছর ধরে এ ব্রীজে সংযোগ সড়ক না থাকায় এখান দিয়ে সরাসরি কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ধান, চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও ভারি বোঝা মাথায় করে পার করতে হয়। এতে আমাদের খুবই কষ্ট হয়। তাই তারা অবিলম্বে ব্রীজটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জোর দাবি জানান।
সংযোগ সড়কের অভাবে বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিন দুই গ্রামের বাসিন্দা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে কাদা পানিতে ভিজে এ সেতু পার হওয়ায় চরম দুভোর্গ পোহাচ্ছে। কোন যানবহন তো দুরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচল করাটাই কষ্টদায়ক। ফলে মানুষকে ব্রীজের নিচে দিয়ে কোনমতে চলাচল করতে হচ্ছে। রিক্সা, ভ্যান নেয়ার ব্যবস্থা না থাকায় মালামাল আনা নেওয়া কঠিন হয়ে পরেছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী। এক বছর অতিবাহিত হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটির দুই পাশের সংযোগ সড়কের মাটির কাজ না করায় সেতুটি খালের পানি মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। বর্ষা মৌসুমে খালে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই এলাকার দুটি গ্রামের লোকজন চরম ঝুঁকি নিয়ে পানিতে ভিজে সেতুটি পারাপার হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পারাপার হতে গিয়ে কাদা-পানিতে পড়ে বই-খাতা, জামা-কাপড় নষ্ট করে ফেলে।
এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, এছাড়া ব্রীজটি নির্মাণের পর মাটি ভরাট করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পানির তীব্র চাপে তা ভেঙ্গে গেছে। পানি সরে গেলে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করা হবে।
ইত্তেফাক/পিএস
