দেশি-বিদেশি পাখির কলতানে মুখরিত শার্শার কদমবিল

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:০৭

ওপারে ভারতের কাটা তারের বেড়া। পাশেই সবুজে ঘেরা শার্শা উপজেলা। সীমান্ত ঘেঁষা বেনাপোল থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর। এখানকার দূর্গাপুর গ্রামের কোলে রয়েছে বিশাল কদমবিল। অতিথি পাখিদের অভয়ারণ্য গড়ে উঠেছে এখানেই। পাখিদের কলতানে মুখরিত গ্রামটিতে প্রতিদিনই মনোমুগ্ধকর এই দৃশ্য উপভোগ করতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছেন হাজারো দর্শনার্থী।

শার্শা উপজেলার দুর্গাপুরের ৬৫ বিঘা জমিতে বিশাল জলাশয়ে নিয়ে এই কদমবিল। হরেক রকম পাখির আনাগোনা এখানে। গ্রামের লোকদের সহযোগিতায় গড়ে উঠছে পাখিদের এই অভয়ারণ্য।

দূর্গাপুর গ্রামের হাজী গোলাম মোর্শেদের ভেড়ীবাধের এই জলাশয়ে সরাইল, পানকৌড়ি, ডংকুরসহ নানান পাখির কিচিরমিচির ডাকে মুগ্ধ হচ্ছে পাখি প্রেমী মানুষ। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে নারী শিশু সহ বিভিন্ন বয়সের দর্শনার্থী। প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রতিবছর শীতে বিভিন্ন দেশ থেকে নানান জাতের অতিথি পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে এখানে।

আরো পড়ুন: আমিরাতে জ্বলন্ত ভবনে শিশুকে বাঁচিয়ে পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি

অতিথি পাখিগুলো কেউ যাতে ফাঁদে পেতে ধরতে না পারে তার জন্য সজাগ গ্রামের মানুষ। তাছাড়া শার্শা প্রাণী সম্পদ অফিস থেকেও অতিথি পাখিদের তদারকি করা হচ্ছে। তবে এলাকাটির সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় বিঘ্ন ঘটছে পর্যটকদের যাওয়া আসায়।

শার্শা উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার সিংহ জানান, শীতে বিভিন্ন দেশ থেকে অতিথি পাখি আমাদের দেশে আসে। শার্শা উপজেলায় কয়েকটি অতিথি পাখির অভয়ারণ্য গড়ে উঠেছে। তবে অভিযোগ আছে, উপজেলায় অনেক স্থানে পাখি শিকারীরা ফাঁদ ও গুলি করে পাখি শিকার করছে। তবে কদমবিলসহ বিভিন্ন এলাকায় পাখি সংরক্ষণে তৎপর রয়েছে উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ।

ইত্তেফাক/অনি