করোনাভাইরাসের চীনা টিকা উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ দেশটির টিকা উন্নয়নশীল দেশগুলো পাচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘকে জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো টিকা উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষার গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনা টিকা সফলতা পেলেও তা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ব্যবহারের অনুমোদন প্রক্রিয়া বেশ জটিল হতে পারে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ানের বরাতে জানা যায়, চীনের বিভিন্ন প্রদেশে নিজেদের তৈরি করোনার টিকা পরীক্ষামূলক প্রয়োগের নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। যদিও এ টিকার কার্যকর হবে কি না- তা নিয়ে দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীরাই এখনো অন্ধকারে রয়েছে। ইতিমধ্যে দেশটি করোনার ৫টি টিকা নিয়ে কাজ করছে বলে জানা যায়। এর মধ্যে চারটির পরীক্ষা চলছে রাশিয়া, মিশর, মেক্সিকোসহ ডজনখানেক দেশে, যা তৃতীয় ও শেষ পর্যায়ের ট্রায়েলে রয়েছে বলে জানানো হয়।
আরো পড়ুন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমা উদ্ধার
জানা গেছে, নভেম্বরে চীনের সিনোফার্মের টিকা ব্যবহারের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদনের পর পরই এটি বাজারে ছাড়ার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এ ছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের টিকা স্বাস্থ্যকর্মী ও উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের শরীরে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।তবে দেশটির ১৪০ কোটির বেশি মানুষের কাছে করোনার টিকা কীভাবে পৌঁছানো হবে, তার কোনো পরিকল্পনা এখনো জানায়নি সরকার।
ইত্তেফাক/এএইচপি

