ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাদারীপুরের শিবচরে পাঁচ্চর গোলচত্বরে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। প্রতিনিয়তই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। ফলে মৃত্যুসহ পঙ্গুও হয়েছে অনেকে। গত তিন মাসে এই চত্বরটিতে সাতটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় এই স্থানে ইতিমধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে চত্বরের পাশে অস্থায়ী বিপত্সংকেত নির্দেশিকা স্থাপন করা হলেও কমছে না দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৮ জানুয়ারি পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পেরে জাজিরা অ্যাপ্রোচ সড়কের শিবচর-কাঁঠালবাড়ী অংশের শুভ উদ্বোধন করা হয়। এরপর থেকেই ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাঁচ্চর গোলচত্বরটি ব্যবহার করে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে দক্ষিণ অঞ্চলের ২১ জেলায় চলাচল করছে শত শত যানবাহন। আর বছর জুড়েই এই চত্বরটি ঘিরে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের একাধিক চালক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করেন, অ্যাপ্রোচ সড়কের তুলনায় গোলচত্বরের পাশের রাস্তাটি প্রশস্ত কম। লোকাল সড়কের থ্রি-হুইলার ও ব্যাটারি চালিত অটোভ্যানগুলো গোলচত্বর দিয়ে হাইওয়ে সড়ক ব্যবহার করে পারাপার হচ্ছে। ফলে কখনো মুখোমুখি সংঘর্ষ, কখনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা।
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. সোহরাব হোসেন বলেন, আমরা হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে পাঁচ্চর গোলচত্বরটির বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছি। চত্বরটিকে বিপজ্জনক উল্লেখ করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবগত করেছি। তিনি আরো বলেন, দুর্ঘটনা এড়াতে চত্বরের রাস্তা প্রশস্ত করাসহ উভয় পাশের আরো গতি নিয়ন্ত্রক চিহ্ন প্রয়োজন।
গত ৫ ডিসেম্বর বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্বাস উদ্দিনসহ পুলিশের আরো চার জন সদস্য এই চত্বরটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন।
ইত্তেফাক/এমআর
