বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
পটুয়াখালীর বাউফলে দৈত্যাকৃতির গাড়ির উত্পাতে অতিষ্ঠ জনসাধারণ। সারা উপজেলায় অবৈধভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছয় চাকার অবৈধ ট্রলি। এই ট্রলির ইঞ্জিন চাষাবাদের কাজে ব্যবহারের কথা থাকলেও এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি এর ইঞ্জিনে বডি লাগিয়ে ইট, বালু ও মাটিসহ নানা কাজে ব্যবহার করছে। আর ট্রলি বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। অকালে ঝরে যাচ্ছে তরতাজা প্রাণ। সর্বশেষ ১৬ জানুয়ারি সকালে অবৈধ ট্রলির ধাক্কায় কনকদিয়া স্যার সলিমুল্লা কলেজিয়েট স্কুলের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক সরোয়ার সৈয়দ মারা গেছেন। আবার পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন অনেকে। এই ট্রলির সামনে ইঞ্জিনের সঙ্গে দুই চাকা ও পেছনে বডির সঙ্গে বড় আকারের চার চাকা ব্যবহার করা হয়েছে। যে কারণে মালামাল বোঝাই করে চলাচলের সময় সড়ক কেঁপে উঠছে। এছাড়াও ট্রলির বিশাল আকৃতির চাকায় সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বিটুমিন, ইট, বালু ও সুরকি উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে। ট্রলির কারণে শব্দ দূষণও হচ্ছে। অতিরিক্ত শব্দ দূষণ ও বেপরোয়া চলাচলের কারণে সরকার ২০১০ সালে সড়কে ট্রলি চলাচল নিষিদ্ধ করলেও এ উপজেলায় নির্দেশনা মানা হচ্ছে না।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সড়ক নিরাপত্তার জন্য এসব অবৈধ যান চলাচল করতে দেওয়া হবে না, প্রতিরোধে আমরা কাজ করছি। এ ব্যাপারে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, এসব অবৈধ ট্রলির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
