সুপার কোপা ফাইনাল

পরাজয়ে মেসির সঙ্গী লাল কার্ড

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ২১:৪৭

স্পোর্টস ডেস্ক

দিনটা এরচেয়ে খারাপ হতে পারতো না লিওনেল মেসির জন্য। শুধু ফাইনাল খেলার জন্যই পুরাপুরি সুস্থ না হয়েও দলে ফিরেছিলেন। কিন্তু ফাইনালে দলকে সাহায্য করতে তো পারলেনই না, উলটো মাঠ ছাড়লেন নিজের ক্লাব ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো লাল কার্ড দেখে। মেসির এই লজ্জাজনক অধ্যায় লেখার দিনে সেভিয়ায় অনুষ্ঠিত স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে এক উদ্যমী পারফরম্যান্সে বার্সেলোনাকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে অ্যাথলেটিকো বিলবাও। ১৯৮৫ সালের পর এটি বিলবাওয়ের দ্বিতীয় শিরোপা। 

রবিবার দে লা কার্তুজা স্টেডিয়ামে বার্সা শুরুটা ভালোই করেছিল। দুই দুইবার দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন আতোঁয়ান গ্রিজমান। কিন্তু দুবারই সমতা ফেরায় বিলবাও। দ্বিতীয়বার সমতা ফেরায় একদম নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে। নিজেদের ১৪তম সুপার কোপা নিশ্চিত করা থেকে যখন মাত্র কয়েক সেকেন্ডের দূরত্বে বার্সা, তখন ইকার মুনিয়াইনের ফ্রিকিকে মাথা ছুইয়ে বিলবাওকে ম্যাচে ফেরান বদলি স্ট্রাইকার আসিয়ের ভিয়ালিব্রে।  ২-২ গোলে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের তৃতীয় মিনিটেই ডিবক্সের একপাশ থেকে দুর্দান্ত এক শটে বিলবাওয়ের জন্য জয়সূচক গোলটি করেন ইনাকি উইলিয়ামস। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে একরকম বিরক্তি থেকেই ভিয়ালিব্রেকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন বার্সেলোনা অধিনায়ক মেসি। বলবিহীন এই আগ্রাসনের জন্য পরবর্তীতে ভিএআর দেখে মেসিকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন রেফারি।

বার্সেলোনার জার্সিতে ৭৫৩তম ম্যাচ খেলতে নামা মেসি এ ম্যাচেই প্রথমবারের মতো দেখেছেন লাল কার্ড। তবে খেলোয়াড়ি জীবনে এর আগে আরো দুইবার লাল কার্ড দেখেছেন এই আর্জেন্টাইন। দুবারই জাতীয় দলের হয়ে। প্রথমটি এসেছে ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচেই। দ্বিতীয়টি এসেছে ২০১৯ সালে কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে, চিলির বিপক্ষে।