চট্টগ্রামে কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক চান নিলাম ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৪৬

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের নিলাম শাখার ব্যবসায়ীরা (বিডার) কাস্টমস হাউজের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে তাদের খুটিনাটি সমস্যার কথা জানাতে চান। নিলাম ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা এবং নানা ধরনের জটিলতার শিকার হচ্ছেন তারা। এজন্য সামনাসামনি আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের ঊর্ধ্বতন সূত্র জানায়, নিলাম শাখার বিডারদের সঙ্গে আলোচনার দরজা সব সময় খোলা। আলোচনা যে কোনো সময় হতে পারে।

ব্যবসায়ীরা জানান, এ ব্যাপারে গত বছরের ২৪ নভেম্বর নিলাম কমিটি বরাবর ৩১ জন ব্যবসায়ী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠক আহ্বানেরও অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, বৈঠক আহ্বানের অনুরোধ সংবলিত চিঠি প্রদানের পর প্রায় দেড় মাস অতিক্রান্ত হলেও কাস্টম হাউজের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া মেলেনি। নিলাম কমিটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এ সংক্রান্ত নীতিমালা অনেক সময় এড়িয়ে যান বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার এবং নিলাম কমিটির সভাপতি আবু নূর রাশেদ আহমদ ইত্তেফাককে বলেন, প্রায় দেড় মাস আগেই এনবিআর-কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নিলাম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা হয়ে গেছে। সেসময় ই-অকশন বিষয়ে নিলাম ব্যবসায়ীদের এবং তাদের প্রতিনিধিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ঐ সময় তাদের সঙ্গে নানা বিষয়ে মতবিনিময়ও হয়। যদি প্রয়োজন হয় আবারও বসা যাবে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ নিলাম শাখার নিলাম কমিটির সভাপতি ডেপুটি কমিশনার মো.ফয়সল বিন রহমান ইত্তেফাককে বলেন, ব্যবসায়ীরা একটি সভার আহ্বান জানিয়ে অনেক আগে একটি দরখাস্ত দিয়েছিল। কিন্তু পরে তারা আর আমার সঙ্গে দেখা করেননি।

চট্টগ্রামের নিলাম ব্যবসায়ী হাজী ফেরদৌস আলম ইত্তেফাককে বলেন, নিলাম কমিটির কর্মকর্তারা আমাদের সমস্যার কথা জানার চেষ্টা করছেন না। ফলে এখানে নিলাম প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত ধীরগতি নেমে এসেছে। জটিলতাও হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি দেশের একটি অন্যতম অর্থনৈতিক দরজা চট্টগ্রাম বন্দরের নিলাম শাখায় একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতি থাকবে। যেখানে নিলাম ব্যবসায়ীরা কোন পদ্ধতিতে ‘বিড’ করবেন এবং কোন পদ্ধতিতে কমিটি তা অনুমোদন দেবেন সে বিষয়টি অবশ্যই পরিষ্কার হতে হবে।