টেলিভিশনের প্রথম এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়ে অ্যাশলে বাইডেন জানালেন তার বাবা মা এবং হোয়াইট হাউসে তাদের অবস্থানের কথা।
'টুডে' নামে এক টক শো অনুষ্ঠানে বাইডেন কন্যা বলেন, সাধারণত কথিত আছে চলে যাওয়ার সময় সাবেক ফার্স্ট লেডি বর্তমান ফার্স্ট লেডিকে চায়ের দাওয়াতে ডাকবেন। সে সময় তার দায়িত্ব হলো হোয়াইট হাউস পুরোটা ঘুড়িয়ে দেখানো। যদিও, বাইডেন জানিয়েছেন এখনও তা নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি।
অ্যাশলে বলেন, 'না, আমার মনেহয় না তারা প্রথাগত প্রটোকল অনুসরণ করছেন, যা অনেক দুঃখজনক'। অ্যাশলে মনে করেন তার মা তার বাবার অফিসের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মা বাবাকে কাজ করাতে টিকিয়ে রাখেন। তাকে কাজ করতে উৎসাহ যোগাবেন।
“I’m just so proud. I truly am proud of my father.”
— TODAY (@TODAYshow) January 19, 2021
In her first-ever network television interview, Ashley Biden, President-elect Biden’s daughter, talks to @JennaBushHager ahead of #InaugurationDay about her family’s special bond, the Capitol riot, and more. pic.twitter.com/6agc8yUB9R
নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করা সমাজসেবীদের পাশাপাশি তার বাবার শপথ গ্রহণের দিন নিরাপত্তা নিয়েও বেশ শঙ্কা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ৬ জানুয়ারিতে যা ঘটেছে তা নিয়ে বাইডেন কন্যা আরও বেশি চিন্তিত।
সাক্ষাৎকারে বুশ হেগার তাকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি অনেক বেশি ভয়ে আছেন তার ভালবাসার মানুষদের নিরাপত্তা নিয়ে?
প্রশ্নের উত্তরে অ্যাশলে বলেন, হুম, আমি ভয় পাচ্ছি। যদিও, এখন নিরাপত্তা অনেক কড়াকড়ি করা হয়েছে। বাবার অনেক নিরাপত্তা রয়েছে, তাই এক দিক থেকে বলতে গেলে, আমি খুব বেশি ভয় পাচ্ছিনা।
আরও পড়ুন: করোনায় প্রাণ হারানো ৪ লাখ আমেরিকানকে বাইডেনের শ্রদ্ধা
ক্যাপিটল হিলে এই ভয়াবহ বিদ্রোহ দেখে গভীর ভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন আশ্যলে। এটা সেই জায়গা যেখানে তিনি ছোট থেকে বড় হয়েছেন, যেখানে তার বাবা দীর্ঘ ৩০ বছর কাজ করেছেন, এটি তার জন্য পবিত্র একটা জায়গা বলে তিনি মনে করেন। দুই সপ্তাহ আগে যা ঘটছে তা সত্যি অনেক বেশি ভয়ানক।
তবে তার বাবার প্রশাসনের সাথে কাজ করবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন অ্যাশলে । কিন্তু তিনি চান এ জায়গাটিকে সামাজিক বিচার, মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক উন্নয়নের কাজে ব্যাবহার করতে। এ নিয়ে তিনি যথেষ্ট আশাবাদী। শুধু তাই নয়, তিনি কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়ে সচেতনতা আনতে চান তিনি। যার মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা অন্যতম। ইউএসএটুডে।
ইত্তেফাক/এনএসএন/এএইচপি
