সাত বছর আগে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জয়পুর গ্রামের মাদ্রাসাছাত্রী ফাতেমা আক্তারের (১৭) গলায় ফাঁস দেওয়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে এটিকে আত্মহত্যা মনে করা হয়েছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তে ফাতেমার গর্ভে সন্তানের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপরই ঘটনাটি অন্যদিকে মোড় নেয়। গর্ভের সেই সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষার সূত্র ধরে সাত বছর পর জানা গেল ফাতেমাকে খুন করা হয়েছিল। আর সেই খুনি তারই চাচাতো ভাই। সম্প্রতি খুনিকে আটক করেছে সিআইডি।
২০১৪ সালের ৭ মার্চ ফাতেমার লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় পুলিশ যখন মামলাটি নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে তখন ঢাকার সিআইডি তদন্ত শুরু করে। গত সাত বছরে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে ধাপে ধাপে সন্দেহজনকভাবে মোট ১৩ জনের ডিএনএ টেস্ট করে সিআইডি। সম্প্রতি সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে নিহত ফাতেমার পেটের বাচ্চার ডিএনএর সঙ্গে ঐ ১৩ জনের মধ্যে তার চাচাতো ভাই হাসানুর জামান শিপন ওরফে টেক্কার (২৬) ডিএনএ মিলে যায়। এরপরই সন্দেহভাজন আসামি টেক্কাকে সিআইডি আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে ফাতেমাকে ধর্ষণ এবং পরবর্তী সময়ে গর্ভবতী হওয়ায় গলা টিপে হত্যার ঘটনা।
সিআইডির ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে আসামি চিহ্নিত করার ঘটনাটি সিআইডির তদন্ত কার্যক্রমে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
