স্পোর্টস রিপোর্টার
আবাহনীর স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবন ফেডারেশন কাপ ফুটবল খেললেন। লিগেরও দুই ম্যাচ চলে গেছে। কিন্তু এখনো এই স্ট্রাইকার গোলের মুখ দেখেননি। আজ লিগের তৃতীয় ম্যাচ আবাহনীর। জীবন গোল পাবেন কি না, তার কোনো গ্যারান্টি নেই। জীবন বলছেন, ‘গোল পাব ভাই। এখনো অনেক ম্যাচ বাকি। আমি হতাশ না। আরো ম্যাচ বাকি আছে।’ জীবন হতাশ না, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কি কারণে গোল পাচ্ছেন না তিনি। জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকার ক্লাব ফুটবলে গোল পাচ্ছেন না। অথচ দিনশেষে তাকেই জাতীয় দলের স্ট্রাইকিং পজিশনে হাল ধরতে হচ্ছে জীবনকে। তার দিকেই তাকিয়ে থাকছেন কোচ জেমি ডে।
স্ট্রাইকার হলেও ক্লাব জার্সিতে জীবন খেলছেন স্ট্রাইকারদের পেছনে। জীবন বললেন, ‘একেক দিন একেক পজিশনে খেলতে হচ্ছে। এভাবে তো গোল পাওয়া কঠিন।’ জীবন তার কথা বলেছেন সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন কোন ক্লাবে দেশি স্ট্রাইকাররা গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন? জীবনের কথাও ঠিক। কারণ ক্লাব ফুটবলে এখন সবই বিদেশি স্ট্রাইকারনির্ভর। একটা সময় আবাহনীতে দেখা গেছে দক্ষ স্ট্রাইকার আনা হতো। শেখ মো. আসলাম তখন পিকফর্মে। উঁচু মানের বিদেশি স্ট্রাইকার আসার পরও আসলামকে রাখা হতো স্ট্রাইকিং পজিশনে। দুই প্রান্ত হতে বল ভাসিয়ে দেওয়া হতো গোলমুখে। আসলাম কখনো উড়ে গিয়ে মাথা ছোঁয়াতেন। না হয় ক্ষিপ্রগতির বলের ওপর পা লাগাতেন। আসলাম মানের স্ট্রাইকার না থাকলেও তৈরি করারও কোনো উদ্যোগ নেই। জীবন বললেন, ‘এখন ক্লাবগুলোতে সবই ফরেন স্ট্রাইকার। ওরা খেলছে স্ট্রাইকিং পজিশনে। গোল তো পাবেই। আমি হতাশ না। এখনো ২২ ম্যাচ বাকি আছে। গোল নিয়ে ভাবছি না।’
গোলখরা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ছোট একটা হতাশার খবর দিয়েছেন আবাহনীর অধিনায়ক জীবন। আবারও তিনি ব্যথা পেয়েছেন। দলের অনুশীলনে। জীবন বললেন, ‘জাতীয় দলের সঙ্গে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে খেলতে কাতার যেতে পারিনি। পরে গিয়েছিলাম। ডান পায়ে ব্যথা ছিল। ঠিক সেখানেই আবার ব্যথা পেয়েছি। আজকের ম্যাচ খেলতে পারব কি না, বলতে পারছি না।’
