চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন

শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা, অভিযোগ অর্ধশত

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৩৩

আগামী বুধবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। তবে সোমবার মধ্যরাত থেকে পরবর্তী চার দিনের জন্য নির্বাচনি এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে সহিংসতা। গত ৮ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর এ পর্যন্ত ৫৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘাতে নিহত হয়েছেন দুই জন। তবে এসব ঘটনায় দমে যাননি মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রতিদিন নতুন উদ্যমে নগরীর অলিগলি চষে বেড়াচ্ছেন তারা, চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচারণা।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরী গতকাল নগরীর উত্তর ও দক্ষিণ পতেঙ্গা এবং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, নগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম। গণসংযোগকালে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি পুলিশকে আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত করে পতেঙ্গা হালিশহরকে নিরাপদ ও চিত্তাকর্ষক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবেন। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে কাজ করবেন বলে জানান।

রেজাউল করিম চৌধুরীকে চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটি এবং ১৪ দলের অন্যতম শরিক দল বাংলাদেশ ত্বরিকত ফেডারেশন। গতকাল শুক্রবার সংগঠন কার্যালয়ে মহানগর সভাপতি ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রেজাউলকে সমর্থন দেয় সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম। অন্যদিকে, নগরীর মোমিন রোডের একটি মিলনায়তনে মহানগর ত্বরিকত ফেডারেশন আয়োজিত কর্মিসভায় মেয়র পদে রেজাউল করিম চৌধুরীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নগর ত্বরিকত ফেডারেশনের সভাপতি কাজী আহসানুল মুরশেদ কাদেরী।

গতকাল নগরীর পশ্চিম, পূর্ব ও দক্ষিণ বাকলিয়ায় গণসংযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, হাবিবুন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, শহীদুল ইসলাম বাবুল, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে রাহাত্তারপুল মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। এসময় ডা. শাহাদাত মেয়র নির্বাচিত হলে বাকলিয়াকে মাদক, সন্ত্রাস ও আবর্জনামুক্ত আধুনিক স্মার্ট এলাকায় পরিণত করার এবং চাইল্ড কেয়ার সেন্টার ও মাতৃসদন প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার করেন।