মাইকেল জ্যাকসন, পপ সাম্রাজ্যের বাদশা। তাঁর জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট ও মৃত্যু ২০০৯ সালের ২৫ জুন। ৫০ বছরের জীবনে তিনি কত কীই না করেছেন! কত বারই না তাঁর নাম উঠেছে গিনিস বুক ওফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে।
তিনি কৃষ্ণাঙ্গ ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে হয়ে উঠলেন উজ্জ্বল। আমেরিকান অনেক পত্রিকা এমন গুজব ছড়াল যে তিনি স্কিন ব্লিচ করেছেন। কিন্তু ১৯৯৫ সালের প্রাইমটাইম-এর এক ইন্টারভিউতে জানান, তিনি কোনো ধরনের স্কিন ব্লিচিং করেননি। তাঁর এক ধরনের রোগ ছিল, নাম ভিটিলিগো। এটা এমন একটি অবস্থা যেখানে ত্বক তার পিগমেনটেশন কোষ (মেলানোসাইটস) হারাতে থাকে। এর ফলে ত্বক, চুলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ বর্ণহীন হতে শুরু করে। এই রোগে ত্বকের কোষের রং হ্রাস পায় বা উজ্জ্বল হয়। তাই মাইকেলের ত্বকের বিভিন্ন অংশ সাদা বর্ণ ধারণ করে। এক সময়ে এটি তার সমস্ত ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে। কিছু অংশ তখনো কালো ছিল। তাঁর সম্পূর্ণ ত্বক উজ্জ্বল হতে পারেনি। তিনি সেই কালো অংশগুলো ঢাকতে সাজসজ্জা শুরু করেন।
আরো একটি গুজব রয়েছে যে মাইকেল জ্যাকসন ১৫০ বছর বেঁচে থাকতে চেয়েছিলেন; এজন্য তিনি অক্সিজেনযুক্ত বিছানায় ঘুমাতেন। ১৯৯৫ সালে অপরাহ্ উইনফ্রে মাইকেলের একটি ইন্টারভিউ নেন। এবং তিনি পরিষ্কার করে বলেন যে তিনি কখনোই অক্সিজেনযুক্ত বিছানায় ঘুমাতেন না। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তাঁর যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে, অক্সিজেনযুক্ত বিছানায় শোয়া—সেটা কোথা থেকে এলো? মাইকেল উত্তরে বলেন, তাঁর বাড়িতে কখনো অক্সিজেন চেম্বার ছিল না। তাঁকে যে চেম্বারে দেখা যাচ্ছিল তা ছিল দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘মাইকেল জ্যাকসন বার্ন সেন্টার’। এবং তিনি কখনোই ১৫০ বছর বেঁচে থাকতে চাননি।
মাইকেল জ্যাকসন ছিলেন কিং অফ পপ, কিংবদন্তি তারকা। তারকাদের সম্পর্কে নানা গুজব ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলো ছড়িয়ে থাকে।
