স্পোর্টস রিপোর্টার
ঢাকায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দুই ম্যাচেই বাংলাদেশের কাছে পাত্তা পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিরপুরের উইকেটে রান তুলতে সংগ্রাম করেছে ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানরা। স্লো, লো বাউন্সের উইকেটের কারণে সিরিজ জুড়ে ব্যাটিং দৈন্য উইন্ডিজদের মূল চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চট্টগ্রামে রানের উইকেট আশা করছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সহকারী কোচ রডি এস্তউইক। গতকাল ক্যারিবিয়ান এই কোচ বলেছেন, সাগরিকার উইকেটের বড় স্কোর দেখা যেতে পারে।
সিরিজে ২-০ তে পিছিয়ে থাকা উইন্ডিজরা আজ মাঠে নামবে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে। গতকাল রডি এস্তউইক বলেছেন, ‘আমরা আজ (গতকাল) বিকালে অনুশীলন করেছি। ঢাকার চেয়ে এখানে (চট্টগ্রাম) উইকেট ভালো মনে হচ্ছে। আমরা বড় স্কোর আশা করছি এবং ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো কন্ডিশন থাকবে।’
উইকেট ব্যাটিং সহায়ক হলেও রান করার দায়িত্বটা ব্যাটসম্যানদের। দলের তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে দলটির সহকারী কোচ বলেছেন, ‘এখন এটা খেলোয়াড়দের বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করছে। তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং দেশের হয়ে খেলার জন্য আপনার গর্ব হওয়া উচিত। আপনি এটার স্বপ্নই দেখেন। আপনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে চান, আপনাকে সুযোগটা দেওয়া হচ্ছে। সুযোগটা কাজে লাগান এবং সর্বস্ব দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য লড়াই করুন।’
ফিল সিমন্সের সহকর্মী অকপটেই স্বীকার করেছেন, সিরিজ জুড়ে ব্যাটিংই ভোগাচ্ছে সফরকারীদের। গতকাল রডি এস্তউইক বলেছেন, ‘এটা (ব্যাটিং) অবশ্যই চিন্তার। প্রথমত, আমরা ৫০ ওভার ব্যাটিংই করতে পারিনি। যখন আপনি ওয়ানডে ম্যাচে ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারবেন না, তখন আপনি চাপে থাকবেন। আমরা প্রথম ম্যাচে ৩৩.২ ওভার এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৫ ওভার ব্যাটিং করেছি। অবশ্যই যেটা আমরা চেয়েছিলাম, তেমন স্কোর পাইনি। নতুন কিছু খেলোয়াড়ের জন্য উইকেট খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমরা জুটিও গড়তে পারিনি। সত্যি বলতে লুকানোর জায়গা নেই। আমরা ভালো ব্যাটিং করিনি। বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো পর্যাপ্ত রান স্কোরবোর্ডে তুলতে পারিনি। সামনের ম্যাচে এখানে আমাদের উন্নতি করতে হবে।’
সিরিজ হেরে গেলেও শেষ ম্যাচে জয় চায় ক্যারিবিয়ানরা। ওডিআই সুপার লিগে ১০ পয়েন্ট প্রাপ্তির দিকেই নজর তাদের। রডি এস্তউইক বলেছেন, ‘যদিও আমরা সিরিজটা হেরে গেছি। এখনো শেষ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ আছে। এখন পর্যন্ত যা করেছি তার চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স আমাদের করতে হবে।’
