অমর একুশে উদ্যাপন

প্রতিষ্ঠানের পাঁচ ও ব্যক্তি পর্যায়ে দুই জন একসঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে পারবে

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ০০:৩৩

করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার সীমিত পরিসরে অমর একুশে উদ্যাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে সর্বোচ্চ পাঁচ ব্যক্তি ও ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ দুই জন ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ফুল দিতে আসতে পারবেন। আগত সবাইকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং মাস্ক পরিধান ছাড়া কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভার শুরুতে মহান ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্যের বরাত দিয়ে বলা হয়, এ বছর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনসমাগম এড়িয়ে চলার বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এছাড়াও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে অমর একুশে উদ্যাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচি সুশৃঙ্খল, সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য উপাচার্য সংশ্লিষ্ট সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। উপাচার্য করোনা ভাইরাস উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য ও অন্যরা উপস্থিত ছিল।

সভায়, মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপনের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আইন অনুষদের ডিন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহকে সমন্বয়কারী, সমিতির সহসভাপতি অধ্যাপক ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়াকে যুগ্ম সমন্বয়কারী এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানীকে সদস্য-সচিব করে অমর একুশে উদ্যাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। সভায় কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি ছাড়াও মহান অমর একুশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উপকমিটি গঠন করা হয়।