গণপরিবহনে সংরক্ষিত আসন সুরক্ষিত হোক

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২১, ০০:২৮

এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে নারী সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হয় গণপরিবহনে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে দেখা গেছে, গণপরিবহনে চলাচলকারী ৯৪ শতাংশ নারী হয়রানির শিকার হন।  হয়রানি লাঘবে ২০০৮ সালে গণপরিবহনে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ৩০ শতাংশ আসন  সংরক্ষিত রাখার বিধান করা হয়। ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৭’-এর খসড়া অনুসারে নারী, শিশু এবং প্রতিবন্ধী ছাড়া এসব আসনে কেউ বসলে বা কাউকে বসতে দিলে এক মাসের কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। তা সত্ত্বেও  চালক ও যাত্রীদের আইনের প্রতি অজ্ঞতা ও শ্রদ্ধাহীনতার কারণে গণপরিবহনে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের হয়রানি কমেনি। রাজধানীসহ সারা দেশে অধিকাংশ বাসে পর্যাপ্ত সংখ্যক সংরক্ষিত আসন রাখা হয় না। যা আছে তাও প্রায় সময় অন্য যাত্রীরা দখল করে রাখে। তাই নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের দাঁড়িয়ে অথবা ইঞ্জিনের ওপর বসে যাতায়াত করতে দেখা যায়—যা তাদের শ্বাসকষ্ট, হিট স্ট্রোক, ত্বকে ফোসকা, গর্ভধারণের জটিলতাসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এ অবস্থায়, উল্লিখিত আইনের ব্যাপক প্রচার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরো  দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন অপরিহার্য।

মাহফুজুর রহমান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়