নীলফামারীর ডোমারে বন্যা ও দখলদারের হাতে বিলীন হয়ে যাওয়া সরকারি রেকর্ডভুক্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা একযুগ পরে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে নির্মাণ করলেন এলাকাবাসী।
উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া গ্রামের কুড়ার হাট সংলগ্ন উত্তরে ডোমার চিলাহাটি প্রধান সড়ক হতে পশ্চিম দিকে কানার হাট যাওয়ার প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা বন্যায় বিলিন হয়ে যায়। রাস্তা সংলগ্ন জমির মালিকগন রাস্তার বাকী অংশ কেটে চাষাবাদ শুরু করেন। এতে উক্ত গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামের প্রায় পাচঁ হাজার মানুষ যাতায়াতের চরম দূর্ভোগ পরে। রাস্তাটির পূর্নরুপ ফিরে পেতে দীর্ঘ একযুগ পর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সহযোগীতায় নকশা অনুযায়ী পরিমাপ ও জরিপ করে সীমানা নির্ধারন করা হয়।
আরও পড়ুন: মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুল ছাত্রকে হত্যা
স্থানীয় ফজলুল হক জানান, ১৫ বছর আগে এই রাস্তাটি একটি পূর্নাঙ্গ রাস্তা ছিলো। কিন্তু বন্যার পানিতে রাস্তাটি বিলীন হয়ে যায়। আমাদের এই এলাকা থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় ১৫কি.মি. দুরে। রাস্তাটি না থাকায় একজন রোগীকে নিয়ে প্রায় ৩ কি.মি. অতিরিক্ত পথ ঘুরে যেতে হতো।
স্বেচ্ছাশ্রমে দেড় কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ বিষয়ে রাজু আহমেদ বলেন, আমরা এলাকার ৪০/৪৫ জন যুবকরা স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তাটি নির্মাণ করি। কিন্তু মাটি না পাওয়ায় রাস্তাটি ৩ ফুটের মত উচু করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে উজানের পানির রাস্তাটি আবার ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই রাস্তাটি টিকিয়ে রাখতে সরকারি বরাদ্দ দিয়ে উচুঁ করা ও পানি বের হওয়ার জন্য একটি ব্রীজ প্রয়োজন।
ইত্তেফাক/এনএ
