একরাম চৌধুরী নিজের অপকর্ম ঢাকার জন্য মিথ্যাচার করছেন --------- কাদের মির্জা

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২১, ২২:২৬

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের নেতা সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীকে উদ্দেশ করে বলেছেন, ‘নিজের অপকর্ম ঢাকার জন্য সে মিথ্যাচার করছে। মিথ্যাচার করা তার অভ্যাস। আমি যখন অপরাজনীতি বন্ধের কথা বলি, টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে কথা বলি, চাকরি বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কথা বলি, প্রশাসনে অনিয়মের কথা বলি, সে (একরামুল) কোনো পথ না দেখে বলে চিকিত্সা দরকার। সে যতই ছলচাতুরি করুক না কেন, তাকে নোয়াখালী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বিদায় নিতে হবে।’

কাদের মির্জা গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় বসুরহাট পৌরসভার নিজ কার্যালয়ে স্থানীয় জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

একরাম চৌধুরীর পূর্ণাঙ্গ কমিটি এলে তাকে (মির্জাকে) বহিষ্কার করা হবে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হয়ে থাকতে চাই, জেলা কমিটিতে থাকব না। সে আমাকে কীসের বহিষ্কার করবে? সে নিজেই কমিটিতে থাকবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আজ নোয়াখালীতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের সমাবেশ করার কথা ছিল, কিন্তু একরাম চৌধুরী ডিসিকে দিয়ে তা বন্ধ করে দিয়েছে। সমাবেশ হলে সে বুঝতে পারত, নোয়াখালীতে তার কী রকম জনপ্রিয়তা। সে গৃহপালিত প্রশাসনকে দিয়ে এ সমাবেশ বন্ধ করে দিয়েছে। সমাবেশস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। আমার বক্তব্য স্পষ্ট, এই অপরাজনীতি বন্ধ করতে না পারলে পরে আমাদের নোয়াখালীতে আবার ভোট ডাকাতি করে জিততে হবে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, আমি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই, জননেত্রী শেখ হাসিনা পারেন সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে। এবার কোম্পানীগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ সব নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।’

একরামুল করিম চৌধুরী গত সোমবার রাতে নিউজ-২৪-এর সঙ্গে এক সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন, ১৬ জানুয়ারি বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে কেন্দ্রগুলোতে ভোরবেলা বিপুলসংখ্যক মহিলা এনে আবদুল কাদের মির্জা জাল ভোট দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরাসহ সারা পৃথিবীর সবাই বলেছেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। একরাম তার নিজের অনিয়ম, অপরাজনীতি ও দুর্নীতি ঢাকার জন্য এসব প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।’