চলে গেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক সৈয়দ লুত্ফুল হক

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ২২:১৪

ইত্তেফাক রিপোর্ট

চারুশিল্পী, সাংবাদিক, গবেষক ও লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ লুত্ফুল হক আর নেই। গতকাল বুধবার ভোর সাড়ে ৫টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি... রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ৭ জানুয়ারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর খবরে সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে আসে। তিনি দুই ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্ব্বজন, বন্ধুবান্ধব, সহকর্মী এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান।

গতকাল লুত্ফুল হকের মরদেহ বাদ জোহর জাতীয় প্রেসক্লাবে আনা হয়। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর নামাজে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

১৯৬৯ সালে দৈনিক ইত্তেফাক দিয়ে সৈয়দ লুত্ফুল হক সাংবাদিকতা শুরু করেন। দীর্ঘ সময় তিনি দৈনিক বাংলা, সাপ্তাহিক বিচিত্রা, দৈনিক বাংলা-বিচিত্রা, দ্য টাইমসসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেছেন। তার সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল দি ইন্ডিপেনডেন্ট। তার শিল্পকলা বিষয়ে ১০টি বইসহ ১৫টি গ্রন্থ রয়েছে। লুত্ফুল হকের লেখা আরো তিনটি বই এ বছর বই মেলায় প্রকাশের অপেক্ষায় ছিল। গবেষণায় স্বাচ্ছন্দ্য লুত্ফুল হক দেশের একজন স্বনামধন্য চিত্রকর ও প্রচ্ছদশিল্পী। তার উল্লেখ্যযোগ্য প্রকাশনা হলো সংবাদপত্রের ডিজাইন, দশ দিগন্তের দশ বাসিন্দা প্রভৃতি।

তিনি কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন স্বর্ণপদক, অতীশ দীপঙ্কর স্বর্ণপদক, নীপা পদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব লেখক সম্মাননা পদকে ভূষিত হয়েছেন।