কুষ্টিয়ায় প্রথম ধাপে পৌঁছেছে করোনা ভ্যাকসিন। শুক্রবার ভোরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ভ্যাকসিন বহনকারী ফ্রিজিং গাড়ি এসে পৌঁছে। এসময় কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডাক্তার আনোয়ারুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। খুলনা বিভাগের মধ্যে কুষ্টিয়া জেলায় সর্ব প্রথম এই ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারির মাসের তৃতীয় সপ্তাহে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে সিভিল সার্জন জানান।
সিভিল সার্জন ডাক্তার এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, তিনটি ফ্রিজে ভ্যাকসিনগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে। প্রথম চালানে ৫টি কার্টুনে ৬ হাজার ভায়েল ভ্যাকসিন এসেছে। এর প্রতিটি ভায়েলে আছে ১০টি ডোজ। এই ভ্যাকসিন ২৬ থেকে ২৭ হাজার জনের শরীরে দেয়া যাবে বলে জানান সিভিল সার্জন। প্রথম ডোজ দেয়ার ৫৬ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রথম পর্যায়ে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, পুলিশ লাইনস হাসপাতাল এবং ধাপে ধাপে জেলার পাঁচটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ইউনিয়ন পর্যায়ে এ টিকাদান কর্মসূচী চালু হবে।
আরও পড়ুন: দেশে পৌঁছালো ২০ লাখ ডোজ করোনা টিকা
প্রথম ধাপে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ,ব্যাংকার বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ১৪ ক্যাটাগরির আওতায় ব্যক্তিবর্গ ভ্যাকসিন পেতে অগ্রাধিকার পাবেন। কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালের টিকাদান বুথে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর সমন্বয়ে ৮টি টিম প্রস্তুত থাকবে। প্রতিটি টিমে দুইজন প্রশিক্ষিত দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে জেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জনের পর ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু হবে।
সিভিল সার্জন ডাক্তার আনোয়ারুল ইসলাম আরও জানান, ভ্যাকসিন প্রদানে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়াও সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এড়াতে প্রস্তুত থাকবেন চিকিৎসক টিম।
ইত্তেফাক/এমআর
